بِسْمِ ٱللهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيْمِ

Assalamu Alaikum 🌿

Welcome to our Islamic social network — a place to connect, share beneficial knowledge, strengthen brotherhood, and grow together upon faith and goodness. Before get started please go through our community guideline and Terms-conditions

Terms & Conditions
Recent Updates
United Kingdom
  • Do what you love, Love what you do...
    .
    Just do it…
    .
    You only live once…
    .
    Carpe Deim, Seize the day...
    .
    বন্ধু, আড্ড, গান – হারিয়ে যাও...
    .
    .
    খুব জনপ্রিয় কিছু ক্যাচফ্রেইয। জুতা, বাইক, মোবাইল অপারেটররের টিভিসি, হিপহপ, হেভি মেটাল, কান্ট্রি মিউযিক থেকে শুরু করে হলিউড মুভি – পপুলার কালচার মাধ্যমে এই বছরের পর বছর ধরে এই কথাগুলো, আর তাদের পেছনের আদর্শগুলকে আমাদের মাথায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। একসময় আমরা এই ধারনাগুলোকে নিজের মনে করা শুরু করি। এগুলোর উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেই। নিজেদের কাজের জাস্টিফিকেশান তৈরি করি। একসময় নিজের মনে করে এই ধারণাগুলোকে ডিফেন্ড করাও শুরু করি।
    .
    এই কথাগুলোকে খুব সহজে বলে ফেলা যায়, আপাতভাবে খুব গভীর অর্থবহ বলে মনে করা যায়, কিন্তু একটু স্থির হয়ে বসে, ধাপে ধাপে চিন্তা করতে গেলে সমস্যা শুরু হয়। ঠিক কিভাবে এধরনের অসংলগ্নতা ব্যাপকভাবে প্রচলিত হতে পারে সেটা চিন্তা করতে গেলে অবাকও হতে হয়।
    .
    উনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে ইংল্যান্ডে একজন ব্যাক্তি জন্ম নেন, যাকে আধুনিক স্যাইটানিসম [শয়তান উপাসনা] - এর পিতা বলা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে আধুনিক "পপ কালচার" এর উপরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ডাবল এজেন্টের ভূমিকা পালন করা এই লোকটির প্রচারিত আদর্শের প্রভাব সবচাইতে বেশী। লোকটির নাম অ্যালিস্টার ক্রাউলী এবং তার প্রচারিত আদর্শের নাম "থেলিমা'[Thelema]। ইন্টারেস্টিং ব্যাপারটা হল, তার মতবাদে শয়তানের উপাসনা করার জন্য আপনার প্রথমে বিশ্বাস করতে হবে যে আপনি নিজে একজন ঈশ্বর। থেলিমার বিশ্বাসে অবাধ ও বিকৃত যৌনাচার, মাদকের ব্যাবহার এবং স্বেচ্ছাচারিতাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়। এর পেছনের কারণ হল, যেহেতু আপনি নিজে "ঈশ্বর"তাই এসব প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আপনার নিজের প্রবৃত্তিকে আপনার খুশি করতে হবে। এসবের মাধ্যমে নিজের ভেতরের ঈশ্বরের উপাসনা করতে হবে। আর এভাবেই আপনি আপনার নিজের ভেতরের "ঈশ্বর" [নাকি শয়তান?] -কে জাগ্রত করতে পারবেন। প্রকৃতপক্ষে নিজের প্রবৃত্তির দাসত্ব এবং ক্রমাগত বিকৃত জীবনাচারের মাধ্যমে শয়তানের [সেটা ইবলিস থেকে আল কারীন যে কেউ হতে পারে ] সান্নিধ্য পাওয়া ছিল এই ধর্মের মূলমন্ত্র।
    .
    ক্রাউলির প্রচারিত এই ধর্মের মূলনীতি হল - "Do as thou wilt, that is the law"। [“Do what thou wilt shall be the whole of the Law. Love is the law, love under will."]
    .
    ক্রাউলি দাবী করতো অ্যান্টি-ক্রাইস্ট অর্থাৎ আল মাসীহ আদ-দাজ্জালের আগমনের আগে পৃথিবীকে প্রস্তত করার জন্য একজন নবী হিসেবে সে প্রেরিত হয়েছে। লেড যেপলিন থেকে শুরু করে আজকের লেডী গাগা, ব্ল্যাক স্যাব্যাথ থেকে শুরু করে বিয়ন্সে, রিয়ান্না কিংবা ড্রেইক পর্যন্ত - পপ কালচার যে মূলমন্ত্র প্রচার করে চলছে সেটা হল, এই ব্যাক্তিকে ঈশ্বরে পরিনত করার ধর্ম। যুক্তিটা ইনজিনিয়াস - যেহেতু আপনি ঈশ্বর [!] তাই আপনার ইচ্ছাই আইন! যা ইচ্ছা করো - কোন সমস্যা নেই। নিজে খুশি থাকলেই হল।
    .
    "Do as thou wilt that shalt be the whole of the law"
    .
    এবার একটু বর্তমান মিডিয়া এবং পশ্চিমা সংস্কৃতির কথা চিন্তা করুন।
    মুক্তচিন্তা, স্বাধীনতা, মানবতা, শান্তি এসবের আড়ালে আসলে কি প্রচার করা হচ্ছে?
    .
    অবাধ ব্যাক্তি স্বাধীনতা। বস্তুবাদ, ভোগবাদ, উপযোগবাদ।
    .
    এই স্বাধীনতাকে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন না। যদিও এটা মানুষকে পশুর চাইতেও নিকৃষ্ট পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে - ভয়ঙ্কর সীমালঙ্ঘনে উৎসাহ যোগাচ্ছে তবুও এর সমালোচনা করা যাবে না। যা নিজের কাছে ঠিক মনে হবে তাই ঠিক, নিজের মন যা বলবে তাই ঠিক। নিজেকে খুশি করা, নিজ শরীরকে আনন্দ দেওয়াটাই জীবনের উদ্দেশ্য। এতো বাধা নিষেধ, নীতি-নৈতিকতা, এতো কিছু চিন্তা করার টাইম নাই। কারন You only live once, so just do it! Do what you want, love what you do. Seize the moment. মৌজ-মাস্তি-হ্যাংআউট-রিলেশান হারিয়ে যাও। নতুন মডেলের গাড়ি, নতুন অ্যাপার্টমেন্ট, ব্র্যান্ডের কাপড়, দামি জুতা, নতুন মডেলের গার্লফ্রেন্ড কিংবা বয়ফ্রেন্ড, লেইটেস্ট গ্যাজেট – হারিয়ে যাও। এটাই আধুনিকতা, এটাই স্বাধীনতা, এটাই, প্রগতি, এটাই মুক্তচিন্তা! আরে এটাই তো বেঁচে থাকা। এটাই তো জীবন।
    .
    শয়তানের আনুগত্য করার অর্থ কিন্তু সত্ত্বা হিসেবে শয়তানের ইবাদাত করা না। ইবলিসের আনুগত্যের অর্থ, তার আহবানে সাড়া দেওয়া -
    .
    বিচার-ফায়সালা সম্পন্ন হলে শয়ত্বান বলবে, ‘আল্লাহ তোমাদের জন্য যে ওয়া‘দা করেছিলেন তা ছিল সত্য ওয়া‘দা। আর আমিও তোমাদেরকে ওয়া‘দা দিয়েছিলাম, কিন্তু আমি তার খেলাপ করেছি, তোমাদের উপর আমার কোনই প্রভাব ছিল না, আমি কেবল তোমাদেরকে আহবান জানিয়েছিলাম আর তোমরা আমার আহবানে সাড়া দিয়েছিলে। কাজেই তোমরা আমাকে দোষারোপ করো না, বরং নিজেদেরকেই দোষারোপ কর, এখানে না আমি তোমাদের ফরিয়াদ শুনতে পারি, না তোমরা আমার ফরিয়াদ শুনতে পার। ইতোপূর্বে তোমরা যে আমাকে (আল্লাহর) শরীক করেছিলে আমি তা অস্বীকার করছি। যালিমদের জন্য আছে ভয়াবহ শাস্তি।’ [সূরা ইব্রাহিম, ২২]
    .
    এটাই আর-রাজীমের প্রতিশ্রুতির বাস্তবতা, এটাই আর-রাজীমের পদপ্রান্তে উপাসনারত এই সভ্যতার বাস্তবতা। এটাই এই আধুনিক বিশ্বব্যবস্থার বাস্তবতা।
    .
    ২৫ শে ডিসেম্বর – উইন্টার সলিস্টিসের সময়? ঠিক কার জন্মদিন পালন করা হয়, কার স্মরণে উৎসব করা হয়, কার আদর্শের অনুসরণ করা হয়? সারা বিশ্ব, শুধু পশ্চিমা বিশ্ব না, আমাদের মতো “মধ্যম আয়ের” ফিরিঙ্গিদের জাতে উঠতে ব্যাকুল দেশেও এই দিনে কার ইমেজ, কার প্রতিকৃতি সামনে রেখে আনন্দ, উৎসব, উল্লাস করা হয়?
    .
    আসুন নির্মোহ ভাবে ইতিহাসের দিকে ফিরে দেখা যাক...
    .
    #KnowYourDeen
    https://www.youtube.com/watch?v=BAr-cJ6D0nI
    Do what you love, Love what you do... . Just do it… . You only live once… . Carpe Deim, Seize the day... . বন্ধু, আড্ড, গান – হারিয়ে যাও... . . খুব জনপ্রিয় কিছু ক্যাচফ্রেইয। জুতা, বাইক, মোবাইল অপারেটররের টিভিসি, হিপহপ, হেভি মেটাল, কান্ট্রি মিউযিক থেকে শুরু করে হলিউড মুভি – পপুলার কালচার মাধ্যমে এই বছরের পর বছর ধরে এই কথাগুলো, আর তাদের পেছনের আদর্শগুলকে আমাদের মাথায় ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। একসময় আমরা এই ধারনাগুলোকে নিজের মনে করা শুরু করি। এগুলোর উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেই। নিজেদের কাজের জাস্টিফিকেশান তৈরি করি। একসময় নিজের মনে করে এই ধারণাগুলোকে ডিফেন্ড করাও শুরু করি। . এই কথাগুলোকে খুব সহজে বলে ফেলা যায়, আপাতভাবে খুব গভীর অর্থবহ বলে মনে করা যায়, কিন্তু একটু স্থির হয়ে বসে, ধাপে ধাপে চিন্তা করতে গেলে সমস্যা শুরু হয়। ঠিক কিভাবে এধরনের অসংলগ্নতা ব্যাপকভাবে প্রচলিত হতে পারে সেটা চিন্তা করতে গেলে অবাকও হতে হয়। . উনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে ইংল্যান্ডে একজন ব্যাক্তি জন্ম নেন, যাকে আধুনিক স্যাইটানিসম [শয়তান উপাসনা] - এর পিতা বলা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে আধুনিক "পপ কালচার" এর উপরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ডাবল এজেন্টের ভূমিকা পালন করা এই লোকটির প্রচারিত আদর্শের প্রভাব সবচাইতে বেশী। লোকটির নাম অ্যালিস্টার ক্রাউলী এবং তার প্রচারিত আদর্শের নাম "থেলিমা'[Thelema]। ইন্টারেস্টিং ব্যাপারটা হল, তার মতবাদে শয়তানের উপাসনা করার জন্য আপনার প্রথমে বিশ্বাস করতে হবে যে আপনি নিজে একজন ঈশ্বর। থেলিমার বিশ্বাসে অবাধ ও বিকৃত যৌনাচার, মাদকের ব্যাবহার এবং স্বেচ্ছাচারিতাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়। এর পেছনের কারণ হল, যেহেতু আপনি নিজে "ঈশ্বর"তাই এসব প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আপনার নিজের প্রবৃত্তিকে আপনার খুশি করতে হবে। এসবের মাধ্যমে নিজের ভেতরের ঈশ্বরের উপাসনা করতে হবে। আর এভাবেই আপনি আপনার নিজের ভেতরের "ঈশ্বর" [নাকি শয়তান?] -কে জাগ্রত করতে পারবেন। প্রকৃতপক্ষে নিজের প্রবৃত্তির দাসত্ব এবং ক্রমাগত বিকৃত জীবনাচারের মাধ্যমে শয়তানের [সেটা ইবলিস থেকে আল কারীন যে কেউ হতে পারে ] সান্নিধ্য পাওয়া ছিল এই ধর্মের মূলমন্ত্র। . ক্রাউলির প্রচারিত এই ধর্মের মূলনীতি হল - "Do as thou wilt, that is the law"। [“Do what thou wilt shall be the whole of the Law. Love is the law, love under will."] . ক্রাউলি দাবী করতো অ্যান্টি-ক্রাইস্ট অর্থাৎ আল মাসীহ আদ-দাজ্জালের আগমনের আগে পৃথিবীকে প্রস্তত করার জন্য একজন নবী হিসেবে সে প্রেরিত হয়েছে। লেড যেপলিন থেকে শুরু করে আজকের লেডী গাগা, ব্ল্যাক স্যাব্যাথ থেকে শুরু করে বিয়ন্সে, রিয়ান্না কিংবা ড্রেইক পর্যন্ত - পপ কালচার যে মূলমন্ত্র প্রচার করে চলছে সেটা হল, এই ব্যাক্তিকে ঈশ্বরে পরিনত করার ধর্ম। যুক্তিটা ইনজিনিয়াস - যেহেতু আপনি ঈশ্বর [!] তাই আপনার ইচ্ছাই আইন! যা ইচ্ছা করো - কোন সমস্যা নেই। নিজে খুশি থাকলেই হল। . "Do as thou wilt that shalt be the whole of the law" . এবার একটু বর্তমান মিডিয়া এবং পশ্চিমা সংস্কৃতির কথা চিন্তা করুন। মুক্তচিন্তা, স্বাধীনতা, মানবতা, শান্তি এসবের আড়ালে আসলে কি প্রচার করা হচ্ছে? . অবাধ ব্যাক্তি স্বাধীনতা। বস্তুবাদ, ভোগবাদ, উপযোগবাদ। . এই স্বাধীনতাকে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন না। যদিও এটা মানুষকে পশুর চাইতেও নিকৃষ্ট পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে - ভয়ঙ্কর সীমালঙ্ঘনে উৎসাহ যোগাচ্ছে তবুও এর সমালোচনা করা যাবে না। যা নিজের কাছে ঠিক মনে হবে তাই ঠিক, নিজের মন যা বলবে তাই ঠিক। নিজেকে খুশি করা, নিজ শরীরকে আনন্দ দেওয়াটাই জীবনের উদ্দেশ্য। এতো বাধা নিষেধ, নীতি-নৈতিকতা, এতো কিছু চিন্তা করার টাইম নাই। কারন You only live once, so just do it! Do what you want, love what you do. Seize the moment. মৌজ-মাস্তি-হ্যাংআউট-রিলেশান হারিয়ে যাও। নতুন মডেলের গাড়ি, নতুন অ্যাপার্টমেন্ট, ব্র্যান্ডের কাপড়, দামি জুতা, নতুন মডেলের গার্লফ্রেন্ড কিংবা বয়ফ্রেন্ড, লেইটেস্ট গ্যাজেট – হারিয়ে যাও। এটাই আধুনিকতা, এটাই স্বাধীনতা, এটাই, প্রগতি, এটাই মুক্তচিন্তা! আরে এটাই তো বেঁচে থাকা। এটাই তো জীবন। . শয়তানের আনুগত্য করার অর্থ কিন্তু সত্ত্বা হিসেবে শয়তানের ইবাদাত করা না। ইবলিসের আনুগত্যের অর্থ, তার আহবানে সাড়া দেওয়া - . বিচার-ফায়সালা সম্পন্ন হলে শয়ত্বান বলবে, ‘আল্লাহ তোমাদের জন্য যে ওয়া‘দা করেছিলেন তা ছিল সত্য ওয়া‘দা। আর আমিও তোমাদেরকে ওয়া‘দা দিয়েছিলাম, কিন্তু আমি তার খেলাপ করেছি, তোমাদের উপর আমার কোনই প্রভাব ছিল না, আমি কেবল তোমাদেরকে আহবান জানিয়েছিলাম আর তোমরা আমার আহবানে সাড়া দিয়েছিলে। কাজেই তোমরা আমাকে দোষারোপ করো না, বরং নিজেদেরকেই দোষারোপ কর, এখানে না আমি তোমাদের ফরিয়াদ শুনতে পারি, না তোমরা আমার ফরিয়াদ শুনতে পার। ইতোপূর্বে তোমরা যে আমাকে (আল্লাহর) শরীক করেছিলে আমি তা অস্বীকার করছি। যালিমদের জন্য আছে ভয়াবহ শাস্তি।’ [সূরা ইব্রাহিম, ২২] . এটাই আর-রাজীমের প্রতিশ্রুতির বাস্তবতা, এটাই আর-রাজীমের পদপ্রান্তে উপাসনারত এই সভ্যতার বাস্তবতা। এটাই এই আধুনিক বিশ্বব্যবস্থার বাস্তবতা। . ২৫ শে ডিসেম্বর – উইন্টার সলিস্টিসের সময়? ঠিক কার জন্মদিন পালন করা হয়, কার স্মরণে উৎসব করা হয়, কার আদর্শের অনুসরণ করা হয়? সারা বিশ্ব, শুধু পশ্চিমা বিশ্ব না, আমাদের মতো “মধ্যম আয়ের” ফিরিঙ্গিদের জাতে উঠতে ব্যাকুল দেশেও এই দিনে কার ইমেজ, কার প্রতিকৃতি সামনে রেখে আনন্দ, উৎসব, উল্লাস করা হয়? . আসুন নির্মোহ ভাবে ইতিহাসের দিকে ফিরে দেখা যাক... . #KnowYourDeen https://www.youtube.com/watch?v=BAr-cJ6D0nI
    0 Comments 0 Shares 226 Views
  • শুরুটা হয়েছিল উম্মু আনমারের ভাইকে দিয়ে। কারখানায় এসে হাতের কাছে যা পেল তাই দিয়ে ওরা মারছিল। হাতুড়ি, লোহার পাত, টুকরো লোহা। জ্ঞান ফেরার পর যুবকটি দেখেছিল তার সারা শরীর রক্তাক্ত।
    .
    উম্মু আনমারের নিষ্ঠুরতা ছিল গোছানো, কিন্তু আরো তীব্র। কারখানায় এসে হাপরে লোহার পাত গরম করে যুবকটির মাথায় চেপে ধরতো। পৃথিবী অন্ধকার হয়ে একটি বিন্দুতে মিলিয়ে গিয়ে সংজ্ঞা হারানোর মুহুর্তগুলো কাঙ্ক্ষিত ছিল। অতি প্রতীক্ষিত ছিল। কারন চেতনাহীনতায় শুধু নিস্তার মিলতো এই যন্ত্রনা থেকে।
    .
    আস্তে আস্তে নির্যাতনের মাত্রা বাড়লো। আরো মেথোডিকাল হলো। মধ্যাহ্নের মরুভূমির সূর্‍্যের নিচে উদোম গায়ে বর্ম পড়িয়ে যুবককে ফেলে রাখা হতো। শরীর অবশ হয়ে আসতো। ওরা বুকে, মুখে, মাথায় উঠে লাথি দিতো। প্রশ্ন করতো। তারপর আবার মারতো। তারপর আবার প্রশ্ন, তারপর আবার মারতো। আগুনে পাথর গরম করে, পাথরের উপর শুইয়ে দিত। বুকের উপর পা দিয়ে শক্ত করে ঠেসে ধরতো। যুবকটি নিজের চামড়া আর মাংস পোড়ার শব্দ শুনতো পেত। চর্বি গলে পড়তো। কখনো সরাসরি গরম কয়লার উপর শুইয়ে দিত। তারপর আবার শুরু হতো প্রশ্নের পালা।
    .
    তার ব্যাপারে তুমি কি বলো?

    আল্লাহ্‌র বান্দা ও রাসূল, তিনি এসেছেন অন্ধকার থেকে আলোর দিকে আমাদের নিয়ে যেতে।

    .
    লাত আর উযযার ব্যাপারে তুমি কি বলো?

    দুই মূর্তি। বোবা ও বধির। না পারে লাভ বা ক্ষতি আনতে

    .
    ওদের রাগ বাড়তো। বাড়তো পাথরের আকার। বাড়তো যন্ত্রনা। বাড়তো সংজ্ঞাহীনতার মূহুর্তের জন্য প্রতীক্ষা।
    .
    ওরা কি চায় যুবক জানে। কিন্তু ওরা যা চায় তা মেনে নেওয়ার কোন সুযোগ নেই। সত্যকে চেনার পর সত্যকে অস্বীকারের কোন এখতিয়ার আসমান যমীনের মালিক আমাদের দেন নি। কিন্তু এই যন্ত্রনা অসহনীয়। শরীর নিতে পারে না। মন দুমড়েমুচড়ে ভেঙ্গে যেতে চায়...
    .
    অনেক সংকোচের পর আজ যুবকটি একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যুবকটি এগিয়ে যাচ্ছে। ‘কাবার দিকে। দূর থেকে তাঁকে দেখা যাচ্ছে। কাবার ছায়ায় শুয়ে আছেন। কিন্তু এতো দূর থেকেও চিনতে ভুল হচ্ছে না। তিনি ছাড়া আর কে আছেন যার চতুর্দিক থেকে সত্য প্রবাহিত, যার মুখে নূরের আভা দীপ্তিমান।
    .
    যুবকটি তাঁর কাছে গেল। সাথে একই পথের পথিক আরো কয়েকজন। প্রশ্ন করলেন –
    .
    ইয়া রাসূলাল্লাহ, আপনি কি আমাদের জন্য আল্লাহর সাহায্য ও ক্ষমা চাইবেন না?
    .
    রাসূলুল্লাহর ﷺ চেহারা লাল হয়ে গেল। তিনি ﷺ বললেন –
    .
    “তোমাদের পূর্ববর্তী অনেক লোককে ধরে গর্তে খুঁড়ে তার অর্ধাংশ পোতা হয়েছে, তারপর করাত দিয়ে মাথার মাঝখান থেকে ফেঁড়ে ফেলা হয়েছে। লোহার চিরুনী দিয়ে তাদের হাড় থেকে গোশত ছড়িয়ে ফেলা হয়েছে। তবুও তাদের দ্বীন থেকে তারা বিন্দুমাত্র টলেনি। আল্লাহ তা’আলা অবশ্যই এই দ্বীনকে পূর্ণতা দান করবেন। এমন একদিন আসবে যখন একজন পথিক ‘সান’আ’ থেকে ‘হাদরামাউত’ পর্যন্ত ভ্রমণ করবে। এই দীর্ঘ ভ্রমণে সে একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কারো ভয় করবে না। তখন নেকড়ে মেষপাল পাহারা দিবে। কিন্তু তোমরা বেশী অস্থির হয়ে পড়ছো’ [আল-বুখারী]
    .
    .
    আল্লাহ ‘আযযা ওয়া জাল ফায়সালা করেছিলেন। উম্মু আনমার মারা গিয়েছিল এক অদ্ভুত রোগে ভুগে। প্রচন্ড মাথার যন্ত্রনা তাকে উন্মাদ করে দিত। কোনভাবে এই যন্ত্রনা কমতো না। তীব্র যন্ত্রনায় উম্মু আনমার জ্বলাতঙ্ক রোগীর মতো আচরণ করতো। বাধ্য হয়ে উম্মু আনমারের সন্তানেরা উত্তপ্ত লোহার পাত দিয়ে উম্মু আনমারের মাথায় চেপে ধরতো। উম্মু আনমারের ভাই মারা গিয়েছিল বদরের ময়দানে হামযা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাতে। মরভূমিতে সেই যুবকের উপর অন্যা অত্যাচারকারীরাও মারা গিয়েছিল বদরের দিনে। আর আল্লাহ ‘আযযা ওয়া জাল মুসলিমদের বিজয় দান করেছিলেন, এবং তাঁর দ্বীনকে বিজয়ী করেছিলেন –যদিও তা ছিল মুশরিকদের অপছন্দনীয়।
    .
    এই যুবককে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা পরবর্তীতে সম্মানিত করেছেন, সম্পদশালী করেছেন। যখন তিনি মৃত্যুবরন করেছিলেন তখন তার জানায পড়িয়েছিলেন আমীরুল মুমীনীন আলি রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু, এবং তিনি বলেছিলেন -
    .
    “আল্লাহ খাব্বাবের ওপর রহম করুন। তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন মনেপ্রাণে, হিজরাত করেন অনুগত হয়ে এবং জীবন অতিবাহিত করেন মুজাহিদ রূপে। যারা সৎকাজ করে আল্লাহ তাদের ব্যর্থ করেন না।”
    .
    তিনি ছিলেন খাব্বাব ইবনুল আরাত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু।
    .
    .
    আমরা আমাদের চারপাশে তাকাই আর আমরা দেখি উম্মাহ আজ নির্যাতিত, পদাবনত, অপমানিত। আমরা দেখি বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় মুসলিমরা যেন সর্বনিকৃষ্ট। পশুপাখির রক্ত নিয়েও মানুষ মর্মাহত হয়, কিন্তু মুসলিমদের রক্তের নদী প্রবাহিত হলেও সমগ্র পৃথীবি থাকে নির্বিকার। আর ে শুধু কাফিরদের জন্যই সত্য নাম, মুসলিমদের জন্যও সত্য। মুসলিমদের কাছে ইসলামের মূল্য নেই, উম্মাহর রক্তের মূল্য নেই, মুসলিম পরিচয়ের মূল্য নেই।
    .
    আমরা চারপাশে তাকাই আর দেখি শত্রু সংখ্য্যা অগনিত। শক্তিতে পরাক্রমশালী। সামর্থ্যে সহস্র যোজন এগোনো। তারা ইসলামের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ, কিন্তু মুসলিমরা শতধা বিভক্ত। তারা তাদের কুফরের উপর সন্তুষ্ট, গর্বিত। আর মুসলিমরা তাদের ইসলাম নিয়ে লজ্জিত। তারা ক্ষমতায় আসীন আর মুসলিমরা দুর্বল। আর আমরা চিন্তা করি, কিভাবে এই রাতের শেষ হবে? আদৌ কি শেষ হবে? পরিবর্তন কি কখনো আসবে? কিভাব এতো প্রতিকূলতার মোকাবেলা করা যাবে?
    .
    আর তারপর আমরা চিন্তা করি চেষ্টা করার অর্থ কি? লাভটাই বা কি? এসবের অর্থ কি?
    .
    আমরা স্বীকার করি বা না করি আমাদের অধিকাংশের মনেই এ প্রশ্ন এসেছে।
    .
    স্মরণ করুন। নিশ্চয় আল্লাহর প্রতিশ্রুতি সত্য। যিনি অনস্তিত্ব থেকে মহাবিশ্বকে অস্তিত্বে এনেছেন, যিনি মৃত হতে জীবিতকে নির্গত করেন এবং জীবিত হতে মৃতকে বহির্গত করেন, সমস্ত কিছু যার উপর নির্ভরশীল, যিনি শুধু বলেন “হও” আর তা হয়ে যায়, যিনি একচ্ছত্র অধিপতি, যার কোন সদৃশ, যার কোন সমকক্ষ নেই, যার কোন প্রতিদন্ধ্বী নেই, যিনি দৃশ্য ও অদৃশ্যের পরিজ্ঞাতা, যিনি অপ্রতিরোধ্য মহাপরাক্রমশালী রাজাধিরাজ, তিনি কি যথেষ্ট নন?
    .
    #KnowYourDeen
    https://www.youtube.com/watch?v=rMTqxJECrmE
    শুরুটা হয়েছিল উম্মু আনমারের ভাইকে দিয়ে। কারখানায় এসে হাতের কাছে যা পেল তাই দিয়ে ওরা মারছিল। হাতুড়ি, লোহার পাত, টুকরো লোহা। জ্ঞান ফেরার পর যুবকটি দেখেছিল তার সারা শরীর রক্তাক্ত। . উম্মু আনমারের নিষ্ঠুরতা ছিল গোছানো, কিন্তু আরো তীব্র। কারখানায় এসে হাপরে লোহার পাত গরম করে যুবকটির মাথায় চেপে ধরতো। পৃথিবী অন্ধকার হয়ে একটি বিন্দুতে মিলিয়ে গিয়ে সংজ্ঞা হারানোর মুহুর্তগুলো কাঙ্ক্ষিত ছিল। অতি প্রতীক্ষিত ছিল। কারন চেতনাহীনতায় শুধু নিস্তার মিলতো এই যন্ত্রনা থেকে। . আস্তে আস্তে নির্যাতনের মাত্রা বাড়লো। আরো মেথোডিকাল হলো। মধ্যাহ্নের মরুভূমির সূর্‍্যের নিচে উদোম গায়ে বর্ম পড়িয়ে যুবককে ফেলে রাখা হতো। শরীর অবশ হয়ে আসতো। ওরা বুকে, মুখে, মাথায় উঠে লাথি দিতো। প্রশ্ন করতো। তারপর আবার মারতো। তারপর আবার প্রশ্ন, তারপর আবার মারতো। আগুনে পাথর গরম করে, পাথরের উপর শুইয়ে দিত। বুকের উপর পা দিয়ে শক্ত করে ঠেসে ধরতো। যুবকটি নিজের চামড়া আর মাংস পোড়ার শব্দ শুনতো পেত। চর্বি গলে পড়তো। কখনো সরাসরি গরম কয়লার উপর শুইয়ে দিত। তারপর আবার শুরু হতো প্রশ্নের পালা। . তার ব্যাপারে তুমি কি বলো? আল্লাহ্‌র বান্দা ও রাসূল, তিনি এসেছেন অন্ধকার থেকে আলোর দিকে আমাদের নিয়ে যেতে। . লাত আর উযযার ব্যাপারে তুমি কি বলো? দুই মূর্তি। বোবা ও বধির। না পারে লাভ বা ক্ষতি আনতে . ওদের রাগ বাড়তো। বাড়তো পাথরের আকার। বাড়তো যন্ত্রনা। বাড়তো সংজ্ঞাহীনতার মূহুর্তের জন্য প্রতীক্ষা। . ওরা কি চায় যুবক জানে। কিন্তু ওরা যা চায় তা মেনে নেওয়ার কোন সুযোগ নেই। সত্যকে চেনার পর সত্যকে অস্বীকারের কোন এখতিয়ার আসমান যমীনের মালিক আমাদের দেন নি। কিন্তু এই যন্ত্রনা অসহনীয়। শরীর নিতে পারে না। মন দুমড়েমুচড়ে ভেঙ্গে যেতে চায়... . অনেক সংকোচের পর আজ যুবকটি একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যুবকটি এগিয়ে যাচ্ছে। ‘কাবার দিকে। দূর থেকে তাঁকে দেখা যাচ্ছে। কাবার ছায়ায় শুয়ে আছেন। কিন্তু এতো দূর থেকেও চিনতে ভুল হচ্ছে না। তিনি ছাড়া আর কে আছেন যার চতুর্দিক থেকে সত্য প্রবাহিত, যার মুখে নূরের আভা দীপ্তিমান। . যুবকটি তাঁর কাছে গেল। সাথে একই পথের পথিক আরো কয়েকজন। প্রশ্ন করলেন – . ইয়া রাসূলাল্লাহ, আপনি কি আমাদের জন্য আল্লাহর সাহায্য ও ক্ষমা চাইবেন না? . রাসূলুল্লাহর ﷺ চেহারা লাল হয়ে গেল। তিনি ﷺ বললেন – . “তোমাদের পূর্ববর্তী অনেক লোককে ধরে গর্তে খুঁড়ে তার অর্ধাংশ পোতা হয়েছে, তারপর করাত দিয়ে মাথার মাঝখান থেকে ফেঁড়ে ফেলা হয়েছে। লোহার চিরুনী দিয়ে তাদের হাড় থেকে গোশত ছড়িয়ে ফেলা হয়েছে। তবুও তাদের দ্বীন থেকে তারা বিন্দুমাত্র টলেনি। আল্লাহ তা’আলা অবশ্যই এই দ্বীনকে পূর্ণতা দান করবেন। এমন একদিন আসবে যখন একজন পথিক ‘সান’আ’ থেকে ‘হাদরামাউত’ পর্যন্ত ভ্রমণ করবে। এই দীর্ঘ ভ্রমণে সে একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কারো ভয় করবে না। তখন নেকড়ে মেষপাল পাহারা দিবে। কিন্তু তোমরা বেশী অস্থির হয়ে পড়ছো’ [আল-বুখারী] . . আল্লাহ ‘আযযা ওয়া জাল ফায়সালা করেছিলেন। উম্মু আনমার মারা গিয়েছিল এক অদ্ভুত রোগে ভুগে। প্রচন্ড মাথার যন্ত্রনা তাকে উন্মাদ করে দিত। কোনভাবে এই যন্ত্রনা কমতো না। তীব্র যন্ত্রনায় উম্মু আনমার জ্বলাতঙ্ক রোগীর মতো আচরণ করতো। বাধ্য হয়ে উম্মু আনমারের সন্তানেরা উত্তপ্ত লোহার পাত দিয়ে উম্মু আনমারের মাথায় চেপে ধরতো। উম্মু আনমারের ভাই মারা গিয়েছিল বদরের ময়দানে হামযা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাতে। মরভূমিতে সেই যুবকের উপর অন্যা অত্যাচারকারীরাও মারা গিয়েছিল বদরের দিনে। আর আল্লাহ ‘আযযা ওয়া জাল মুসলিমদের বিজয় দান করেছিলেন, এবং তাঁর দ্বীনকে বিজয়ী করেছিলেন –যদিও তা ছিল মুশরিকদের অপছন্দনীয়। . এই যুবককে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা পরবর্তীতে সম্মানিত করেছেন, সম্পদশালী করেছেন। যখন তিনি মৃত্যুবরন করেছিলেন তখন তার জানায পড়িয়েছিলেন আমীরুল মুমীনীন আলি রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু, এবং তিনি বলেছিলেন - . “আল্লাহ খাব্বাবের ওপর রহম করুন। তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন মনেপ্রাণে, হিজরাত করেন অনুগত হয়ে এবং জীবন অতিবাহিত করেন মুজাহিদ রূপে। যারা সৎকাজ করে আল্লাহ তাদের ব্যর্থ করেন না।” . তিনি ছিলেন খাব্বাব ইবনুল আরাত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু। . . আমরা আমাদের চারপাশে তাকাই আর আমরা দেখি উম্মাহ আজ নির্যাতিত, পদাবনত, অপমানিত। আমরা দেখি বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় মুসলিমরা যেন সর্বনিকৃষ্ট। পশুপাখির রক্ত নিয়েও মানুষ মর্মাহত হয়, কিন্তু মুসলিমদের রক্তের নদী প্রবাহিত হলেও সমগ্র পৃথীবি থাকে নির্বিকার। আর ে শুধু কাফিরদের জন্যই সত্য নাম, মুসলিমদের জন্যও সত্য। মুসলিমদের কাছে ইসলামের মূল্য নেই, উম্মাহর রক্তের মূল্য নেই, মুসলিম পরিচয়ের মূল্য নেই। . আমরা চারপাশে তাকাই আর দেখি শত্রু সংখ্য্যা অগনিত। শক্তিতে পরাক্রমশালী। সামর্থ্যে সহস্র যোজন এগোনো। তারা ইসলামের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ, কিন্তু মুসলিমরা শতধা বিভক্ত। তারা তাদের কুফরের উপর সন্তুষ্ট, গর্বিত। আর মুসলিমরা তাদের ইসলাম নিয়ে লজ্জিত। তারা ক্ষমতায় আসীন আর মুসলিমরা দুর্বল। আর আমরা চিন্তা করি, কিভাবে এই রাতের শেষ হবে? আদৌ কি শেষ হবে? পরিবর্তন কি কখনো আসবে? কিভাব এতো প্রতিকূলতার মোকাবেলা করা যাবে? . আর তারপর আমরা চিন্তা করি চেষ্টা করার অর্থ কি? লাভটাই বা কি? এসবের অর্থ কি? . আমরা স্বীকার করি বা না করি আমাদের অধিকাংশের মনেই এ প্রশ্ন এসেছে। . স্মরণ করুন। নিশ্চয় আল্লাহর প্রতিশ্রুতি সত্য। যিনি অনস্তিত্ব থেকে মহাবিশ্বকে অস্তিত্বে এনেছেন, যিনি মৃত হতে জীবিতকে নির্গত করেন এবং জীবিত হতে মৃতকে বহির্গত করেন, সমস্ত কিছু যার উপর নির্ভরশীল, যিনি শুধু বলেন “হও” আর তা হয়ে যায়, যিনি একচ্ছত্র অধিপতি, যার কোন সদৃশ, যার কোন সমকক্ষ নেই, যার কোন প্রতিদন্ধ্বী নেই, যিনি দৃশ্য ও অদৃশ্যের পরিজ্ঞাতা, যিনি অপ্রতিরোধ্য মহাপরাক্রমশালী রাজাধিরাজ, তিনি কি যথেষ্ট নন? . #KnowYourDeen https://www.youtube.com/watch?v=rMTqxJECrmE
    0 Comments 0 Shares 266 Views
  • লোকটার বয়স চল্লিশের কম হবে না। মুখে বেশ কয়েক দিনের না কামানো দাড়ি। মাথায় চুল খুব বেশি নেই, তবে যা আছে তা ভিজে লেপ্টে আছে খুলির সাথে। দুই হাতের তালু এক সাথে লাগিয়ে মুখের সামনে তুলের ধরা। বুড়ো আঙ্গুল দুটো থুতনির নিচে। চোখ দুটো শক্ত করে বন্ধ করা। মুখ, কপাল কুঁচকে আছে কান্নার তীব্রতায়। গায়ে লাল গেঞ্জি। লোকটা দাঁড়িয়ে আছে একটা নৌকার উপর। তার পেছনে ভাঙাচোরা ছাতা আর তেরপল নিয়ে বসে আছে ১০-১২ জন নারী ও শিশু। তাদের পেছনে নৌকার গলুই দেখা যাচ্ছে, আর তার পেছনে খোলা সমুদ্র।
    .
    জান নিয়ে পালিয়ে আসা লোকগুলোকে খোলা সমুদ্রে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। সভ্যতার ভাষায় একে বলা হয় পুশব্যাক। লোকটা করজোড়ে ভিক্ষা চাচ্ছে যেন তাদেরকে একটু জায়গা দেওয়া হয়।
    .
    .
    ২.
    .
    নৌকা ভর্তি মানুষ। সবাই বলা যায় স্তব্ধ হয়ে বসে আছে। এর মাঝে পাশাপাশি চারজন লোক দাঁড়িয়ে আছে। চোখ কোটরে বসে যাওয়া, গলার হাড়, চোয়ালের হাড়, পাঁজরের হাড় বের হয়ে আসা। উষ্কখুষ্ক চুল। অসুস্থ চাহনি। লোকগুলোর মুখ বাঁকা হয়ে আছে কান্নায়। দুর্বলতার কারনে শরীরগুলোও বাঁকা হয়ে আছে। সরু হাতগুলো পেট ধরে আছে। পেটের দিকে ইঙ্গিত করছে। ইঙ্গিতটা স্পষ্ট। আমরা খুব সহজে যে বিষয়টার কথা চিন্তা না করার বিলাসিতা করতে পারি, মানুষগুলো সেই খাবারের কথা বলছে।
    .
    ক্ষুধার জ্বালায় তারা নৌকার দড়ি খাবারও চেস্টা করেছে। তাদের মধ্যে দুর্বল ও শিশুরা এরই মধ্যে অনাহারে মারা গেছে। বাকিরা দিন গুনছে। হয় অনহার অথবা সমুদ্র। মৃত্যু ওৎ পেতে আছে। অসহায়ত্ব ও বিপর্যয়ের এক পর্যায়ে গিয়ে মানুষ নিজের আত্মসম্মানের কথাও চিন্তা করার সুযোগ পায় না। এই মানুষগুলো বেশ আগেই সেই পর্যায়টা পার হয়ে এসেছে। তারা ভিক্ষা চাচ্ছে। যদি কোন মানুষের দয়া হয়...
    .
    .
    আরাকান...নামটা শনার পর মানসপটে প্রথম কোন দৃশ্যটা ভেসে ওঠে? ভাইরাল হয়ে যাওয়া আরাকানের রোহিঙ্গাদের এই দুটো ছবির কথা মনে আসার সম্ভাবনা আছে। তবে এই ছবিগুলো আমরা যখন দেখি তখন এক অর্থে ছবির মানুষগুলোর পরিচয়কে আমরা তাদের বিপর্যয় ও তাদের দুর্দশার মধ্যে সীমাবদ্ধ করে ফেলি। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমরা এখানেই আমাদের চিন্তা বন্ধ করে দেই। আরাকান, রোহিঙ্গা এই নামগুলো কিছু কংকালসার, নির্যাতিত মানুষের সমার্থক হয়ে দাড়ায় যারা সময়ে সময়ে আমাদের কাছে সাহায্য চায়। যাদের নিয়ে সময়ে সময়ে প্রতিবাদে ফেটে পড়তে পারলে ভালো। না পারলেই দোষ নেই। আমাদের পড়াশোনা, বিএফ-জিএফ, বছর ভর্তি ভ্যালেন্টাইনের চিন্তা, বিয়ের চিন্তা, চাকরি-ব্যবসা, এসবের মধ্যে এই আনগ্ল্যামারাস আনকুল ইস্যুটা নিয়ে কিছু না বললে সেটা দোষের কিছু না। কুকুর অধিকার কিংবা রাস্তাঘাট পরিস্কার কিংবা পরিবেশ আন্দোলন, কিংবা সাইক্লিং জাতীয় ইস্যু নিয়ে ইন্টারেস্ট থাকলেও সভ্যতার রিপোর্ট কার্ডে পাশ মার্ক ওঠানো যায়।
    .
    তারপরও কথা হয়। সমস্যা হল কথায় আসর হয় না। কথার প্রভাব পরে না। দিনশেষে কোন কোথায় অতোটুকই গুরুত্বপূর্ণ যতোটুক গুরুত্ব আমরা সেই কথাকে দেই। আরাকান অভিয়াসলি আমাদের প্রায়োরিটি লিস্টে তেমন উপরের দিকে নেই। তবুও কিছু কথা বলা প্রয়োজন। কারন দায়িত্ব কখনো এড়ানো যায় না। আমরা যতোই নিজেদের সাথে প্রতারনা করি না কেন। দুনিয়াতে যে দায়িত্ব ফাঁকি দেওয়া যায় সেটার জন্যও আখিরাতে জবাবদিহি করতে হবে।
    .
    এই ভিডিওটা সেই দায়িত্ববোধ থেকে। খুব একটা আশার জায়গা থেকে না। পাথরের বুক চিরে গাছ মাথা চাড়া দেবার কথা প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু প্রস্থরীভূত অন্তরের ব্যাপারে খুব একটা আশা করা যায় না। আর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলাই হলেন অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী।
    .
    আরাকানের ট্র্যাজিক ইতিহাস নিয়ে ছোট্ট একটি বক্তব্য -
    .
    আরাকান রাজ্যের ইতিহাস
    .
    #KnowYourUmmah
    #KnowYourDeen


    https://www.youtube.com/watch?v=s-xv0aIrEUc
    লোকটার বয়স চল্লিশের কম হবে না। মুখে বেশ কয়েক দিনের না কামানো দাড়ি। মাথায় চুল খুব বেশি নেই, তবে যা আছে তা ভিজে লেপ্টে আছে খুলির সাথে। দুই হাতের তালু এক সাথে লাগিয়ে মুখের সামনে তুলের ধরা। বুড়ো আঙ্গুল দুটো থুতনির নিচে। চোখ দুটো শক্ত করে বন্ধ করা। মুখ, কপাল কুঁচকে আছে কান্নার তীব্রতায়। গায়ে লাল গেঞ্জি। লোকটা দাঁড়িয়ে আছে একটা নৌকার উপর। তার পেছনে ভাঙাচোরা ছাতা আর তেরপল নিয়ে বসে আছে ১০-১২ জন নারী ও শিশু। তাদের পেছনে নৌকার গলুই দেখা যাচ্ছে, আর তার পেছনে খোলা সমুদ্র। . জান নিয়ে পালিয়ে আসা লোকগুলোকে খোলা সমুদ্রে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। সভ্যতার ভাষায় একে বলা হয় পুশব্যাক। লোকটা করজোড়ে ভিক্ষা চাচ্ছে যেন তাদেরকে একটু জায়গা দেওয়া হয়। . . ২. . নৌকা ভর্তি মানুষ। সবাই বলা যায় স্তব্ধ হয়ে বসে আছে। এর মাঝে পাশাপাশি চারজন লোক দাঁড়িয়ে আছে। চোখ কোটরে বসে যাওয়া, গলার হাড়, চোয়ালের হাড়, পাঁজরের হাড় বের হয়ে আসা। উষ্কখুষ্ক চুল। অসুস্থ চাহনি। লোকগুলোর মুখ বাঁকা হয়ে আছে কান্নায়। দুর্বলতার কারনে শরীরগুলোও বাঁকা হয়ে আছে। সরু হাতগুলো পেট ধরে আছে। পেটের দিকে ইঙ্গিত করছে। ইঙ্গিতটা স্পষ্ট। আমরা খুব সহজে যে বিষয়টার কথা চিন্তা না করার বিলাসিতা করতে পারি, মানুষগুলো সেই খাবারের কথা বলছে। . ক্ষুধার জ্বালায় তারা নৌকার দড়ি খাবারও চেস্টা করেছে। তাদের মধ্যে দুর্বল ও শিশুরা এরই মধ্যে অনাহারে মারা গেছে। বাকিরা দিন গুনছে। হয় অনহার অথবা সমুদ্র। মৃত্যু ওৎ পেতে আছে। অসহায়ত্ব ও বিপর্যয়ের এক পর্যায়ে গিয়ে মানুষ নিজের আত্মসম্মানের কথাও চিন্তা করার সুযোগ পায় না। এই মানুষগুলো বেশ আগেই সেই পর্যায়টা পার হয়ে এসেছে। তারা ভিক্ষা চাচ্ছে। যদি কোন মানুষের দয়া হয়... . . আরাকান...নামটা শনার পর মানসপটে প্রথম কোন দৃশ্যটা ভেসে ওঠে? ভাইরাল হয়ে যাওয়া আরাকানের রোহিঙ্গাদের এই দুটো ছবির কথা মনে আসার সম্ভাবনা আছে। তবে এই ছবিগুলো আমরা যখন দেখি তখন এক অর্থে ছবির মানুষগুলোর পরিচয়কে আমরা তাদের বিপর্যয় ও তাদের দুর্দশার মধ্যে সীমাবদ্ধ করে ফেলি। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমরা এখানেই আমাদের চিন্তা বন্ধ করে দেই। আরাকান, রোহিঙ্গা এই নামগুলো কিছু কংকালসার, নির্যাতিত মানুষের সমার্থক হয়ে দাড়ায় যারা সময়ে সময়ে আমাদের কাছে সাহায্য চায়। যাদের নিয়ে সময়ে সময়ে প্রতিবাদে ফেটে পড়তে পারলে ভালো। না পারলেই দোষ নেই। আমাদের পড়াশোনা, বিএফ-জিএফ, বছর ভর্তি ভ্যালেন্টাইনের চিন্তা, বিয়ের চিন্তা, চাকরি-ব্যবসা, এসবের মধ্যে এই আনগ্ল্যামারাস আনকুল ইস্যুটা নিয়ে কিছু না বললে সেটা দোষের কিছু না। কুকুর অধিকার কিংবা রাস্তাঘাট পরিস্কার কিংবা পরিবেশ আন্দোলন, কিংবা সাইক্লিং জাতীয় ইস্যু নিয়ে ইন্টারেস্ট থাকলেও সভ্যতার রিপোর্ট কার্ডে পাশ মার্ক ওঠানো যায়। . তারপরও কথা হয়। সমস্যা হল কথায় আসর হয় না। কথার প্রভাব পরে না। দিনশেষে কোন কোথায় অতোটুকই গুরুত্বপূর্ণ যতোটুক গুরুত্ব আমরা সেই কথাকে দেই। আরাকান অভিয়াসলি আমাদের প্রায়োরিটি লিস্টে তেমন উপরের দিকে নেই। তবুও কিছু কথা বলা প্রয়োজন। কারন দায়িত্ব কখনো এড়ানো যায় না। আমরা যতোই নিজেদের সাথে প্রতারনা করি না কেন। দুনিয়াতে যে দায়িত্ব ফাঁকি দেওয়া যায় সেটার জন্যও আখিরাতে জবাবদিহি করতে হবে। . এই ভিডিওটা সেই দায়িত্ববোধ থেকে। খুব একটা আশার জায়গা থেকে না। পাথরের বুক চিরে গাছ মাথা চাড়া দেবার কথা প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু প্রস্থরীভূত অন্তরের ব্যাপারে খুব একটা আশা করা যায় না। আর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলাই হলেন অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী। . আরাকানের ট্র্যাজিক ইতিহাস নিয়ে ছোট্ট একটি বক্তব্য - . আরাকান রাজ্যের ইতিহাস . #KnowYourUmmah #KnowYourDeen https://www.youtube.com/watch?v=s-xv0aIrEUc
    0 Comments 0 Shares 321 Views
  • যদি প্রশ্নোত্তর হয় সাড়ে তিন হাত মাটির নিচে? খুব সরু, খুব অন্ধকার একটা মাটির ঘরে? যেখানে আপনার উপর চেপে বসবে মাটির ওজন আর আদিম ভয়? যখন প্রশ্নকর্তা হবে দুজন, একজন কালো রঙের একজন নীল? যাদের সাথে আপনার চেনা দুনিয়ার কোন কিছুর মিল নেই – যদি তখন আপনি উত্তর দিতে না পারেন?
    .
    যখন আপনাকে প্রশ্ন করা হবে - যখন প্রচণ্ড ভয় আপনাকে গ্রাস করবে – যখন আপনি হবেন বন্দী, বাধ্য। যখন অদেখা ভুবনের প্রশ্নকর্তাদের মুখোমুখি হয়ে আপনাকে জবাব দিতে হবে - যখন মিথ্যা বলার সুযোগ থাকবে না – মুখস্থ উত্তর দেয়ার সু্যোগ থাকবে না – ধোঁকা দেয়ার সুযোগ থাকবে না – এড়িয়ে যাবার সুযোগ থাকবে না- যখন সুযোগ থাকবে না হেসে উড়িয়ে দেয়ার – যখন ব্যস্ততার অজুহাত থাকবে না – যখন পালাবার কোন পথ থাকবে না, লুকোবার কোন জায়গা থাকবে না – যখন আপনার মুখ কোন জবাব দিতে পারবে না...
    .
    তিনটা প্রশ্ন। উত্তর দেয়া এখন খুবই সহজ।
    .
    কিন্তু যেদিন আপনার অন্তর কথা বলবে, সেইদিন সে কি উত্তর দেবে?
    .
    .
    #KnowYourDeen

    https://www.youtube.com/watch?v=uQe7qtqQAW4
    যদি প্রশ্নোত্তর হয় সাড়ে তিন হাত মাটির নিচে? খুব সরু, খুব অন্ধকার একটা মাটির ঘরে? যেখানে আপনার উপর চেপে বসবে মাটির ওজন আর আদিম ভয়? যখন প্রশ্নকর্তা হবে দুজন, একজন কালো রঙের একজন নীল? যাদের সাথে আপনার চেনা দুনিয়ার কোন কিছুর মিল নেই – যদি তখন আপনি উত্তর দিতে না পারেন? . যখন আপনাকে প্রশ্ন করা হবে - যখন প্রচণ্ড ভয় আপনাকে গ্রাস করবে – যখন আপনি হবেন বন্দী, বাধ্য। যখন অদেখা ভুবনের প্রশ্নকর্তাদের মুখোমুখি হয়ে আপনাকে জবাব দিতে হবে - যখন মিথ্যা বলার সুযোগ থাকবে না – মুখস্থ উত্তর দেয়ার সু্যোগ থাকবে না – ধোঁকা দেয়ার সুযোগ থাকবে না – এড়িয়ে যাবার সুযোগ থাকবে না- যখন সুযোগ থাকবে না হেসে উড়িয়ে দেয়ার – যখন ব্যস্ততার অজুহাত থাকবে না – যখন পালাবার কোন পথ থাকবে না, লুকোবার কোন জায়গা থাকবে না – যখন আপনার মুখ কোন জবাব দিতে পারবে না... . তিনটা প্রশ্ন। উত্তর দেয়া এখন খুবই সহজ। . কিন্তু যেদিন আপনার অন্তর কথা বলবে, সেইদিন সে কি উত্তর দেবে? . . #KnowYourDeen https://www.youtube.com/watch?v=uQe7qtqQAW4
    0 Comments 0 Shares 286 Views
  • মানুষের ভেতরে এক শুন্যতা কাজ করে। প্রতিটি মানুষের ভেতরেই এ শূন্যতা কাজ করে, মানুষকে অস্থির করে তোলে, হৃদয়ে সৃষ্টি করে অপূর্ণতার এক অনুভূতি। প্রতিটি মানুষ নিজ নিজ উপায়ে চেষ্টা করে অপূর্নতার এ অনুভূতিতে চেপে রাখতে। এবং একটা সময় পর্যন্ত আমরা সফলও হই। আমাদের দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততা, হাসি-আড্ডা, ভোগ-বিলাস, পারিবারিক সুখ-দুঃখের স্রোতের নিচে চাপা পড়ে যায় এ শূন্যতা। তবুও একেবারে দূর হয় না। একাকী মুহুর্তগুলোতে থেকে থেকে মাথা চাড়া দেয়।
    .
    আমরা চেষ্টা করি, সজ্ঞানে অথবা অবচেতনভাবে এ শূন্যতাকে পূরন করার। খেলা, মিউযিক, সিনেমা, “বন্ধু-আড্ডা-গান”, ক্যারিয়ার, প্রেম, নতুন গ্যাজেট, নতুন পোশাক, নতুন গার্লফ্রেন্ড (কিংবা বয়ফ্রেন্ড), পার্টি, ড্রাগস– কিছু না কিছুর মাঝে ডুব দিয়ে আমরা চেষ্টা করি অপূর্ণতার এ অনুভূতিকে দূর করার। কিন্তু এসব দিয়ে সাময়িক ভাবে ভুলে থাকা গেলেও বুকের ভেতরের শূন্যতাটাকে পূরণ করা যায় না। বাঁধ দিয়ে রাখা যায়, কিন্তু এ স্রোতকে দমন করা যায় না। আর যখন বাঁধ ভেঙ্গে যায় তখন বন্যার মতো সমস্ত চেতনাকে, সমস্ত অস্তিত্বকে গ্রাস করে এ শূন্যতা।
    .
    আপনি কি জানেন কেন আপনার ভেতরে এ শূন্যতা কাজ করে? কারন আপনি, আমি, আমরা সবাই শেকড়ছেঁড়া। আমরা এ পৃথিবীর জন্য তৈরি না। এ দুনিয়া আমাদের যাত্রাপথে একটা সাময়িক স্টপেজমাত্র। আমাদের মুল গন্তব্য, আমাদের মূল ঠিকানা আখিরাহ। কিন্তু আমরা চাইছি যাত্রাপথের এ স্টপেজেই শেকড় গাড়তে। আমরা চাচ্ছি চিরন্তন জীবনকে ভুলে এ নশ্বর পৃথিবীকে আঁকড়ে থাকতে। আর আমরা দূরে সরে যাচ্ছি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার স্মরণ থেকে, তাঁর ইবাদাত থেকে, তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ হওয়া থেকে।
    .
    যতোই আমরা এ দুনিয়াকে আঁকড়ে ধরে আমাদের ভেতরের শূন্যতাকে পূরন করার চেষ্টা করছি, ততোই আমাদের অন্তরে আস্তরণের সৃষ্টি হচ্ছে। বিষাক্ত এ দুনিয়া আমাদের অন্তরকে কলুষিত করছে। যতোই আমরা গুনাহ করছি ততোই আমাদের অন্তর একটু একটু করে অনুভূতি হারাচ্ছে। আমরা আখিরাহকে ভুলে দুনিয়ার পেছনে ছুটছি আর প্রতিনিয়ত আমাদের অন্তর মারা যাচ্ছে।
    .
    রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন –
    যে তার প্রতিপালককে স্মরণ করে আর যে করে না তাদের দৃষ্টান্ত হল জীবিত ও মৃতের মতো। (অর্থাৎ যে আল্লাহকে স্মরণ করে সে জীবিত। আর যে স্মরণ করে না সে মৃত)।-সহীহ বুখারী, হাদীস : ৬৪০৭; মুসলিম, হাদীস : ৭৭৯
    .
    এ শূন্যতাকে পূরণ করার, কলুষিত এ অন্তরকে পরিশুদ্ধ করার উপায় কি?
    .
    #KnowYourDeen

    https://www.youtube.com/watch?v=5rrfiMOw_5U
    মানুষের ভেতরে এক শুন্যতা কাজ করে। প্রতিটি মানুষের ভেতরেই এ শূন্যতা কাজ করে, মানুষকে অস্থির করে তোলে, হৃদয়ে সৃষ্টি করে অপূর্ণতার এক অনুভূতি। প্রতিটি মানুষ নিজ নিজ উপায়ে চেষ্টা করে অপূর্নতার এ অনুভূতিতে চেপে রাখতে। এবং একটা সময় পর্যন্ত আমরা সফলও হই। আমাদের দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততা, হাসি-আড্ডা, ভোগ-বিলাস, পারিবারিক সুখ-দুঃখের স্রোতের নিচে চাপা পড়ে যায় এ শূন্যতা। তবুও একেবারে দূর হয় না। একাকী মুহুর্তগুলোতে থেকে থেকে মাথা চাড়া দেয়। . আমরা চেষ্টা করি, সজ্ঞানে অথবা অবচেতনভাবে এ শূন্যতাকে পূরন করার। খেলা, মিউযিক, সিনেমা, “বন্ধু-আড্ডা-গান”, ক্যারিয়ার, প্রেম, নতুন গ্যাজেট, নতুন পোশাক, নতুন গার্লফ্রেন্ড (কিংবা বয়ফ্রেন্ড), পার্টি, ড্রাগস– কিছু না কিছুর মাঝে ডুব দিয়ে আমরা চেষ্টা করি অপূর্ণতার এ অনুভূতিকে দূর করার। কিন্তু এসব দিয়ে সাময়িক ভাবে ভুলে থাকা গেলেও বুকের ভেতরের শূন্যতাটাকে পূরণ করা যায় না। বাঁধ দিয়ে রাখা যায়, কিন্তু এ স্রোতকে দমন করা যায় না। আর যখন বাঁধ ভেঙ্গে যায় তখন বন্যার মতো সমস্ত চেতনাকে, সমস্ত অস্তিত্বকে গ্রাস করে এ শূন্যতা। . আপনি কি জানেন কেন আপনার ভেতরে এ শূন্যতা কাজ করে? কারন আপনি, আমি, আমরা সবাই শেকড়ছেঁড়া। আমরা এ পৃথিবীর জন্য তৈরি না। এ দুনিয়া আমাদের যাত্রাপথে একটা সাময়িক স্টপেজমাত্র। আমাদের মুল গন্তব্য, আমাদের মূল ঠিকানা আখিরাহ। কিন্তু আমরা চাইছি যাত্রাপথের এ স্টপেজেই শেকড় গাড়তে। আমরা চাচ্ছি চিরন্তন জীবনকে ভুলে এ নশ্বর পৃথিবীকে আঁকড়ে থাকতে। আর আমরা দূরে সরে যাচ্ছি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার স্মরণ থেকে, তাঁর ইবাদাত থেকে, তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ হওয়া থেকে। . যতোই আমরা এ দুনিয়াকে আঁকড়ে ধরে আমাদের ভেতরের শূন্যতাকে পূরন করার চেষ্টা করছি, ততোই আমাদের অন্তরে আস্তরণের সৃষ্টি হচ্ছে। বিষাক্ত এ দুনিয়া আমাদের অন্তরকে কলুষিত করছে। যতোই আমরা গুনাহ করছি ততোই আমাদের অন্তর একটু একটু করে অনুভূতি হারাচ্ছে। আমরা আখিরাহকে ভুলে দুনিয়ার পেছনে ছুটছি আর প্রতিনিয়ত আমাদের অন্তর মারা যাচ্ছে। . রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন – যে তার প্রতিপালককে স্মরণ করে আর যে করে না তাদের দৃষ্টান্ত হল জীবিত ও মৃতের মতো। (অর্থাৎ যে আল্লাহকে স্মরণ করে সে জীবিত। আর যে স্মরণ করে না সে মৃত)।-সহীহ বুখারী, হাদীস : ৬৪০৭; মুসলিম, হাদীস : ৭৭৯ . এ শূন্যতাকে পূরণ করার, কলুষিত এ অন্তরকে পরিশুদ্ধ করার উপায় কি? . #KnowYourDeen https://www.youtube.com/watch?v=5rrfiMOw_5U
    0 Comments 0 Shares 300 Views
  • শেষবার যখন ভূমিকম্প হল...যখন রাতের শেষভাবে প্রচণ্ড কম্পনে, প্রচণ্ড শব্দে, আদিম আতঙ্ক নিয়ে জেগে উঠে আমরা দেখলাম পায়ের নিচে মাটি প্রবল ভাবে প্রকম্পিত হচ্ছে তখন বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত শিশু সাহিত্যিক এবং কলাম লেখক আমাদের শেখাতে চাইলেন ভূমিকম্প হলে ভয় পাবার কিছু নেই। সবই হল টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়া মাত্র। বিখ্যাত লেখকের লেখার কারনেই কি না কে জানে, ভূমিকম্পের দিন দেখা গেল ফেইসবুকে ভূমিকম্প সেলফি আর ভূমিকম্পের “চেক-ইন” ভাইরাল।
    .
    আচ্ছা কল্পনা করুন তো...ঠিক আগের বারের মত একদিন ভোর রাতে ভূমিকম্প শুরু হল। গত কয়েক বছরে বার কয়েক ভূমিকম্পের অভিজ্ঞতার অভ্যাস হয়ে যাওয়ায় এবার আর হুড়োহুড়ি করে আপনি নামলেন না। গত কয়েক বারে দেখেছেন মিনিট দুয়েকের মধ্যে ভূমিকম্প থেকে যায়।
    .
    আপনি শান্ত হয়ে বসে অপেক্ষা করছেন। হাতে ঘড়ি। ভূমিকম্পের সময় সবাই যখন হুড়োহুড়ি করছিল তখন আপনি হাতে ঘড়ি নিয়ে বসেছিলেন –গল্পটা সকালে কিভাবে রসিয়ে রসিয়ে করবেন চিন্তা করে মুখের কোণে এক চিলতে হাসি।
    .
    কিন্তু আপনি একটু অবাক হয়ে দেখলেন ভূমিকম্প থামছে না। কমে আসার বদলে কম্পন বেড়েই যাচ্ছে। সিলিং ফ্যান বিপদজনক ভাবে দুলছে। খাট এতোক্ষণ কাঁপছিল, এখন মনে হচ্ছে লাফাচ্ছে। টলতে টলতে আপনি উঠে দাড়ালেন। সম্ভবত নিচে নামাই উচিত ছিল...আপনি হাটার চেষ্টা করছেন কিন্তু ভারসাম্য রাখতে পারছেন না। প্রচণ্ড শব্দে বুকশেলফটা পড়ে গেল, আপনি তীব্র আতঙ্কে দৌড় শুরু করতেই ইলেক্ট্রিসিটি চলে গেল...
    .
    মাটির কাপুনি থামছে না। অন্ধকারে কিছু দেখতে পারছেন না। প্রচণ্ড শব্দ, মানুষের চিৎকার। প্রচণ্ড শব্দের মধ্যেও আলাদা করে মেঝেতে ফাটল ধরার শব্দ আপনি বুঝতে পারলেন।। আপনি অন্ধকারে হাতড়ে হাতড়ে হামাগুড়ি দিয়ে সামনে এগুনোর চেষ্টা করছেন...কিন্তু কিছু বুঝে ওঠার আগেই আপনার নিচে মেঝে সম্পুর্ণ ভাবে ধসের পড়লো...আপনি বুঝতে পারলেন আপনাকে নিয়ে মেঝে ধ্বসে পড়েছে...প্রচণ্ড আতঙ্কে আপনি চিৎকার করা শুরু করলেন –
    .
    ভূমিকম্পকে ভয় পাবার কিছু নেই। সব টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়া…
    ভূমিকম্পকে ভয় পাবার কিছু নেই। সব টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়া…
    .
    .
    রাসূলুল্লাহ ﷺ চেয়েছেন আমরা যেন এই সব বিপদ গুলোকে ভয় পাই। আল্লাহ আমাদের এই সংকেত গুলো দেন আমরা যেন সতর্ক হতে পারি আর যেন ভয় পাই কিয়ামতের সেই কঠিন সময়কে। যেন সময় থাকতে আমরা নিজের শুধরাতে পারি। যেন তাওবাহ করি, আল্লাহর দিকে, ইসলামের দিকে ফিরে আসি।
    .
    আমরা কি ঠিক মত আল্লাহকে স্মরণ করছি? নাকি আমরা ওই খেলাঘর নিয়ে মেতে আছি যা চোখের পলকে ধূলিসাৎ হয়ে যেতে পারে?
    .
    #TurnToAllah
    #KnowYourDeen


    https://www.youtube.com/watch?v=4P3z2eo2NbU
    শেষবার যখন ভূমিকম্প হল...যখন রাতের শেষভাবে প্রচণ্ড কম্পনে, প্রচণ্ড শব্দে, আদিম আতঙ্ক নিয়ে জেগে উঠে আমরা দেখলাম পায়ের নিচে মাটি প্রবল ভাবে প্রকম্পিত হচ্ছে তখন বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত শিশু সাহিত্যিক এবং কলাম লেখক আমাদের শেখাতে চাইলেন ভূমিকম্প হলে ভয় পাবার কিছু নেই। সবই হল টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়া মাত্র। বিখ্যাত লেখকের লেখার কারনেই কি না কে জানে, ভূমিকম্পের দিন দেখা গেল ফেইসবুকে ভূমিকম্প সেলফি আর ভূমিকম্পের “চেক-ইন” ভাইরাল। . আচ্ছা কল্পনা করুন তো...ঠিক আগের বারের মত একদিন ভোর রাতে ভূমিকম্প শুরু হল। গত কয়েক বছরে বার কয়েক ভূমিকম্পের অভিজ্ঞতার অভ্যাস হয়ে যাওয়ায় এবার আর হুড়োহুড়ি করে আপনি নামলেন না। গত কয়েক বারে দেখেছেন মিনিট দুয়েকের মধ্যে ভূমিকম্প থেকে যায়। . আপনি শান্ত হয়ে বসে অপেক্ষা করছেন। হাতে ঘড়ি। ভূমিকম্পের সময় সবাই যখন হুড়োহুড়ি করছিল তখন আপনি হাতে ঘড়ি নিয়ে বসেছিলেন –গল্পটা সকালে কিভাবে রসিয়ে রসিয়ে করবেন চিন্তা করে মুখের কোণে এক চিলতে হাসি। . কিন্তু আপনি একটু অবাক হয়ে দেখলেন ভূমিকম্প থামছে না। কমে আসার বদলে কম্পন বেড়েই যাচ্ছে। সিলিং ফ্যান বিপদজনক ভাবে দুলছে। খাট এতোক্ষণ কাঁপছিল, এখন মনে হচ্ছে লাফাচ্ছে। টলতে টলতে আপনি উঠে দাড়ালেন। সম্ভবত নিচে নামাই উচিত ছিল...আপনি হাটার চেষ্টা করছেন কিন্তু ভারসাম্য রাখতে পারছেন না। প্রচণ্ড শব্দে বুকশেলফটা পড়ে গেল, আপনি তীব্র আতঙ্কে দৌড় শুরু করতেই ইলেক্ট্রিসিটি চলে গেল... . মাটির কাপুনি থামছে না। অন্ধকারে কিছু দেখতে পারছেন না। প্রচণ্ড শব্দ, মানুষের চিৎকার। প্রচণ্ড শব্দের মধ্যেও আলাদা করে মেঝেতে ফাটল ধরার শব্দ আপনি বুঝতে পারলেন।। আপনি অন্ধকারে হাতড়ে হাতড়ে হামাগুড়ি দিয়ে সামনে এগুনোর চেষ্টা করছেন...কিন্তু কিছু বুঝে ওঠার আগেই আপনার নিচে মেঝে সম্পুর্ণ ভাবে ধসের পড়লো...আপনি বুঝতে পারলেন আপনাকে নিয়ে মেঝে ধ্বসে পড়েছে...প্রচণ্ড আতঙ্কে আপনি চিৎকার করা শুরু করলেন – . ভূমিকম্পকে ভয় পাবার কিছু নেই। সব টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়া… ভূমিকম্পকে ভয় পাবার কিছু নেই। সব টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়া… . . রাসূলুল্লাহ ﷺ চেয়েছেন আমরা যেন এই সব বিপদ গুলোকে ভয় পাই। আল্লাহ আমাদের এই সংকেত গুলো দেন আমরা যেন সতর্ক হতে পারি আর যেন ভয় পাই কিয়ামতের সেই কঠিন সময়কে। যেন সময় থাকতে আমরা নিজের শুধরাতে পারি। যেন তাওবাহ করি, আল্লাহর দিকে, ইসলামের দিকে ফিরে আসি। . আমরা কি ঠিক মত আল্লাহকে স্মরণ করছি? নাকি আমরা ওই খেলাঘর নিয়ে মেতে আছি যা চোখের পলকে ধূলিসাৎ হয়ে যেতে পারে? . #TurnToAllah #KnowYourDeen https://www.youtube.com/watch?v=4P3z2eo2NbU
    0 Comments 1 Shares 1K Views
  • আপনি কি জানেন জান্নাতের অধিবাসীদের জন্য কি কি পুরষ্কার অপেক্ষা করছে? আপনি হয়তো নির্মল পানির নহর, দুধের ঝর্ণাধারা, সারিবদ্ধ পালঙ্ক, মর্মর পাথরে সুশোভিত গোলাকার তাবু এবং আয়তলোচনা হুরদের কথা শুনেছেন। আপনি কিন্তু আপনি কি জানেন জান্নাতীদের সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে মূল্যবান পুরষ্কার কোনটি? আপনি কি জানেন কোন সে পুরষ্কার যার সামনে আসমান ও যমীনের মধ্যবর্তী সবকিছু তো বটেই, এমনকি জান্নাতের অবিশ্বাস্য সব সৌন্দর্যকেও তুচ্ছ মনে হবে?
    .
    আল্লাহ ‘আযযা ওয়া জাল বলেন -
    .
    “সেদিন অনেক মুখমন্ডল উজ্জল হবে। তারা তাদের পালনকর্তার দিকে তাকিয়ে থাকবে।” (সূরা কিয়ামাহঃ ২২-২৩)
    .
    .
    এ মহাপুরষ্কার লাভের জন্য শত সহস্র দুনিয়া কি সানন্দে বিক্রি করে দেওয়া যায় না?

    #KnowYourDeen


    ----

    সুহায়ব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বর্ণনা করেন, নবী ﷺ বলেছেন,
    «إِذَا دَخَلَ أَهْلُ الْجَنَّةِ الْجَنَّةَ، قَالَ: يَقُولُ اللهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى: تُرِيدُونَ شَيْئًا أَزِيدُكُمْ؟ فَيَقُولُونَ: أَلَمْ تُبَيِّضْ وُجُوهَنَا؟ أَلَمْ تُدْخِلْنَا الْجَنَّةَ، وَتُنَجِّنَا مِنَ النَّارِ؟ قَالَ: فَيَكْشِفُ الْحِجَابَ، فَمَا أُعْطُوا شَيْئًا أَحَبَّ إِلَيْهِمْ مِنَ النَّظَرِ إِلَى رَبِّهِمْ عَزَّ وَجَلَّ».

    “জান্নাতিগণ যখন জান্নাতে প্রবেশ করবেন তখন আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে বলবেন, তোমরা কী চাও? আমি আরো অনুগ্রহ বাড়িয়ে দিই। তারা বলবে, আপনি কি আমাদের চেহারা আলোকোজ্জ্বল করে দেন নি, আমাদের জান্নাতে দাখিল করেন নি এবং জাহান্নাম থেকে নাজাত দেন নি?রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, এরপর আল্লাহ তা‘আলা আবরণ তুলে নিবেন। আল্লাহর দীদার অপেক্ষা অতি প্রিয় কোনো বস্তুতাদের দেওয়া হয় নি।” মুসলিম, হাদীস নং ১৮১
    .
    .
    আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত,

    «أَنَّ نَاسًا فِي زَمَنِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالُوا: يَا رَسُولَ اللهِ، هَلْ نَرَى رَبَّنَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ؟ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «نَعَمْ» قَالَ: «هَلْ تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَةِ الشَّمْسِ بِالظَّهِيرَةِ صَحْوًا لَيْسَ مَعَهَا سَحَابٌ؟ وَهَلْ تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَةِ الْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ صَحْوًا لَيْسَ فِيهَا سَحَابٌ؟» قَالُوا: لَا يَا رَسُولَ اللهِ، قَالَ: " مَا تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَةِ اللهِ تَبَارَكَ وَتَعَالَى يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِلَّا كَمَا تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَةِ أَحَدِهِمَا».

    “রাসূলুল্লাহর ﷺ সময় লোকেরা জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রাসূল! কিয়ামতের দিন আমরা কি আমাদের রবকে দেখতে পাবো? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ। তিনি আরো বললেন, ঠিক দুপুরে মেঘমুক্ত আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ দেখতে কি তোমাদের কোনো অসুবিধা কিংবা কষ্ট হয়? তারা বললো, না, হে আল্লার রাসূল! তিনি বললেন, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা‘আলাকে দেখতে তোমাদের ততটুকু কষ্ট হবে, যতটুকু ঐ দু’টির যে কোনো একটি দেখতে কষ্ট হয়। মুসলিম, হাদীস নং ১৮৩”




    https://www.youtube.com/watch?v=xqTp-eLaSu0
    আপনি কি জানেন জান্নাতের অধিবাসীদের জন্য কি কি পুরষ্কার অপেক্ষা করছে? আপনি হয়তো নির্মল পানির নহর, দুধের ঝর্ণাধারা, সারিবদ্ধ পালঙ্ক, মর্মর পাথরে সুশোভিত গোলাকার তাবু এবং আয়তলোচনা হুরদের কথা শুনেছেন। আপনি কিন্তু আপনি কি জানেন জান্নাতীদের সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে মূল্যবান পুরষ্কার কোনটি? আপনি কি জানেন কোন সে পুরষ্কার যার সামনে আসমান ও যমীনের মধ্যবর্তী সবকিছু তো বটেই, এমনকি জান্নাতের অবিশ্বাস্য সব সৌন্দর্যকেও তুচ্ছ মনে হবে? . আল্লাহ ‘আযযা ওয়া জাল বলেন - . “সেদিন অনেক মুখমন্ডল উজ্জল হবে। তারা তাদের পালনকর্তার দিকে তাকিয়ে থাকবে।” (সূরা কিয়ামাহঃ ২২-২৩) . . এ মহাপুরষ্কার লাভের জন্য শত সহস্র দুনিয়া কি সানন্দে বিক্রি করে দেওয়া যায় না? #KnowYourDeen ---- সুহায়ব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বর্ণনা করেন, নবী ﷺ বলেছেন, «إِذَا دَخَلَ أَهْلُ الْجَنَّةِ الْجَنَّةَ، قَالَ: يَقُولُ اللهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى: تُرِيدُونَ شَيْئًا أَزِيدُكُمْ؟ فَيَقُولُونَ: أَلَمْ تُبَيِّضْ وُجُوهَنَا؟ أَلَمْ تُدْخِلْنَا الْجَنَّةَ، وَتُنَجِّنَا مِنَ النَّارِ؟ قَالَ: فَيَكْشِفُ الْحِجَابَ، فَمَا أُعْطُوا شَيْئًا أَحَبَّ إِلَيْهِمْ مِنَ النَّظَرِ إِلَى رَبِّهِمْ عَزَّ وَجَلَّ». “জান্নাতিগণ যখন জান্নাতে প্রবেশ করবেন তখন আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে বলবেন, তোমরা কী চাও? আমি আরো অনুগ্রহ বাড়িয়ে দিই। তারা বলবে, আপনি কি আমাদের চেহারা আলোকোজ্জ্বল করে দেন নি, আমাদের জান্নাতে দাখিল করেন নি এবং জাহান্নাম থেকে নাজাত দেন নি?রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, এরপর আল্লাহ তা‘আলা আবরণ তুলে নিবেন। আল্লাহর দীদার অপেক্ষা অতি প্রিয় কোনো বস্তুতাদের দেওয়া হয় নি।” মুসলিম, হাদীস নং ১৮১ . . আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, «أَنَّ نَاسًا فِي زَمَنِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالُوا: يَا رَسُولَ اللهِ، هَلْ نَرَى رَبَّنَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ؟ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «نَعَمْ» قَالَ: «هَلْ تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَةِ الشَّمْسِ بِالظَّهِيرَةِ صَحْوًا لَيْسَ مَعَهَا سَحَابٌ؟ وَهَلْ تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَةِ الْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ صَحْوًا لَيْسَ فِيهَا سَحَابٌ؟» قَالُوا: لَا يَا رَسُولَ اللهِ، قَالَ: " مَا تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَةِ اللهِ تَبَارَكَ وَتَعَالَى يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِلَّا كَمَا تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَةِ أَحَدِهِمَا». “রাসূলুল্লাহর ﷺ সময় লোকেরা জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রাসূল! কিয়ামতের দিন আমরা কি আমাদের রবকে দেখতে পাবো? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ। তিনি আরো বললেন, ঠিক দুপুরে মেঘমুক্ত আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ দেখতে কি তোমাদের কোনো অসুবিধা কিংবা কষ্ট হয়? তারা বললো, না, হে আল্লার রাসূল! তিনি বললেন, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা‘আলাকে দেখতে তোমাদের ততটুকু কষ্ট হবে, যতটুকু ঐ দু’টির যে কোনো একটি দেখতে কষ্ট হয়। মুসলিম, হাদীস নং ১৮৩” https://www.youtube.com/watch?v=xqTp-eLaSu0
    0 Comments 0 Shares 314 Views
  • বলা হয় মঙ্গোলরা বাগদাদ দখল করার পর টানা ৪০ দিন মুসলিমদের হত্যা করেছিল। নারী, শিশু, বৃদ্ধ – কেউই রক্ষা পায়নি এ হত্যাযজ্ঞ থেকে। ঐতিহাসিকদের মতে হালাকু খানের নেতৃত্বে মঙ্গোলরা হত্যা করেছিল প্রায় ১০ লক্ষ মুসলিমকে। ধ্বংস করেছিল লক্ষ লক্ষ বই। জ্বালিয়ে দেওয়া লক্ষ লক্ষ বইয়ের কালি আর নিহত মুসলিমদের রক্তে টাইগ্রিস নদী ধারণ করেছিল কালচে লাল বর্ণ।
    .
    পচন ধরা মৃতদেহের গন্ধে ভারী হয়ে উঠেছিল আকাশবাতাস। এমনকি হালাকু বাধ্য হয়েছিল নিজের বাহিনীর ক্যাম্প বাতাসের পথ থেকে দূরে সরিয়ে নিতে। মঙ্গোলদের আগ্রাসন ছিল সত্যিকার অর্থেই এক ধ্বংসযজ্ঞ।
    .
    মঙ্গোলরা বাগদাদসহ মুসলিম খিলাফাহর বিশাল অংশ দখল করে নেয়, হত্যা করে খালিফাহকে। হালাকু খানের মঙ্গোল বাহিনী বাগদাদের উপর একচ্ছত্র কতৃত্ব প্রতিষ্ঠার পর একদিন বাগদাদ পরিদর্শনে বের হল হালাকুর মেয়ে। দেখতে পেল এক মুসলিম ‘আলিমকে। এগিয়ে গেল সকলের সামনে ইসলামকে অপমান করার লোভ সামলাতে না পেরে। কিন্তু এ মুসলিম ‘আলিমের সাথে কথোপকথন ঠিক প্ল্যানমাফিক এগুলো না...
    .
    তিক্ত অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে হালাকুর মেয়ে পেল এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা, যা কিনা আজকের দিনে আমাদের জন্যও প্রযোজ্য।

    #KnowYourDeen



    https://www.youtube.com/watch?v=ay8a-mwjksI
    বলা হয় মঙ্গোলরা বাগদাদ দখল করার পর টানা ৪০ দিন মুসলিমদের হত্যা করেছিল। নারী, শিশু, বৃদ্ধ – কেউই রক্ষা পায়নি এ হত্যাযজ্ঞ থেকে। ঐতিহাসিকদের মতে হালাকু খানের নেতৃত্বে মঙ্গোলরা হত্যা করেছিল প্রায় ১০ লক্ষ মুসলিমকে। ধ্বংস করেছিল লক্ষ লক্ষ বই। জ্বালিয়ে দেওয়া লক্ষ লক্ষ বইয়ের কালি আর নিহত মুসলিমদের রক্তে টাইগ্রিস নদী ধারণ করেছিল কালচে লাল বর্ণ। . পচন ধরা মৃতদেহের গন্ধে ভারী হয়ে উঠেছিল আকাশবাতাস। এমনকি হালাকু বাধ্য হয়েছিল নিজের বাহিনীর ক্যাম্প বাতাসের পথ থেকে দূরে সরিয়ে নিতে। মঙ্গোলদের আগ্রাসন ছিল সত্যিকার অর্থেই এক ধ্বংসযজ্ঞ। . মঙ্গোলরা বাগদাদসহ মুসলিম খিলাফাহর বিশাল অংশ দখল করে নেয়, হত্যা করে খালিফাহকে। হালাকু খানের মঙ্গোল বাহিনী বাগদাদের উপর একচ্ছত্র কতৃত্ব প্রতিষ্ঠার পর একদিন বাগদাদ পরিদর্শনে বের হল হালাকুর মেয়ে। দেখতে পেল এক মুসলিম ‘আলিমকে। এগিয়ে গেল সকলের সামনে ইসলামকে অপমান করার লোভ সামলাতে না পেরে। কিন্তু এ মুসলিম ‘আলিমের সাথে কথোপকথন ঠিক প্ল্যানমাফিক এগুলো না... . তিক্ত অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে হালাকুর মেয়ে পেল এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা, যা কিনা আজকের দিনে আমাদের জন্যও প্রযোজ্য। #KnowYourDeen https://www.youtube.com/watch?v=ay8a-mwjksI
    0 Comments 0 Shares 285 Views
  • কিছু জিনিস আগুনে পুড়ে যায়, কিছু জিনিস বিশুদ্ধ হয়।
    .
    তাওহীদের পথে চলতে গেলে পরীক্ষা আসবেই। এটাই নিয়ম। এ পরীক্ষাসমূহের মাধ্যমে আর-রাহমান তার বান্দাদের মধ্যে থেকে বাছাই করে নেন তাদেরকে যারা লাভ করবে তাঁর নৈকট্য। এ পরীক্ষাসমূহের মাধ্যমে আর-রাহমান তার বাছাইকৃত বান্দাদের মর্যাদা দান করেন, সম্মানিত করেন।
    .
    যার দ্বীন পালনে কাফির-যালিমদের পক্ষ থেকে বাধা আসে না হয়তো তার চিন্তা করার সময় এসেছে সে সত্যিই দ্বীন ইসলাম সম্পূর্ণ ভাবে পালন করছে কি না। নিশ্চয় যে পথে চলতে গেলে বাধা আসে না, যে পথ কণ্টকাকীর্ণ নয়, সে পথ দ্বীন ইসলামের পথ নয়। খুব চমৎকার ভাবে এই পথের পরিচয় দিয়েছেন ইবনুল কাইয়্যিম রাহিমাহুল্লাহ, কয়েকটি লাইনে ফুটিয়ে তুলেছেন চিন্তার একটি সমুদ্র -
    .
    এ পথ তো সে পথ!!!। যে পথে চলতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পরেছিলেন আদাম। ক্রন্দন করেছেন নূহ। আগুনে নিক্ষিপ্ত হয়েছেন ইব্রাহীম খলীল। যবেহ্‌ করার জন্য শোয়ানো হয়েছে ইসমাইলকে। খুব স্বল্প মূল্যে বিক্রয় করা হয়েছে ইয়ূসুফকে, কারাগারে কাটাতে হয়েছে জীবনের দীর্ঘ কয়েকটি বছর। জাকারিয়াকে করাত দ্বারা দ্বিখণ্ডিত করা হয়েছে। যবেহ্‌ করা হয়েছে নারী সংশ্রব থেকে মুক্ত সায়্যেদ ইয়াহইয়াকে। রোগে ভুগেছেন আইয়ূব। দাউদের ক্রন্দন, সীমা অতিক্রম করেছে। নিঃসঙ্গ জীবন যাপন করেছেন ঈসা। আলাইহিমুস সালাতু ওয়াস সালাম। নানা দুঃখ-দুর্দশা, কষ্ট-ক্লেশ ভোগ করেছেন শেষ নবী মুহাম্মাদ ﷺ।
    .
    আর তুমি (এখনও) খেল-তামাশায় মত্ত?!!!
    .
    [আল-ফাওয়ায়েদ, লি-ইবনিল কাইয়্যিম]
    .
    .
    আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন -
    জান্নাতকে বেষ্টন করে রাখা হয়েছে অপছন্দনীয় বস্তু দ্বারা এবং জাহান্নামকে বেষ্টন করে রাখা হয়েছে কামনা-বাসনা বস্তু দ্বারা। [সাহীহ মুসলিম]
    .
    আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন -
    মুমিনের উপমা শস্য জাতীয় গাছ এর ন্যায়। বাতাস সর্বদা উহাকে আন্দোলিত করে। অনুরূপভাবে মু'মিনের উপরও সর্বদা বিপদ-আপদ আসতে থাকে। আর মুনাফিকের উপমা দেবদারু বৃক্ষের ন্যায়। মূল না কাটা পর্যন্ত তা প্রকম্পিত হয় না। [সাহীহ মুসলিম]

    https://www.youtube.com/watch?v=oLYx9LFYzzg
    কিছু জিনিস আগুনে পুড়ে যায়, কিছু জিনিস বিশুদ্ধ হয়। . তাওহীদের পথে চলতে গেলে পরীক্ষা আসবেই। এটাই নিয়ম। এ পরীক্ষাসমূহের মাধ্যমে আর-রাহমান তার বান্দাদের মধ্যে থেকে বাছাই করে নেন তাদেরকে যারা লাভ করবে তাঁর নৈকট্য। এ পরীক্ষাসমূহের মাধ্যমে আর-রাহমান তার বাছাইকৃত বান্দাদের মর্যাদা দান করেন, সম্মানিত করেন। . যার দ্বীন পালনে কাফির-যালিমদের পক্ষ থেকে বাধা আসে না হয়তো তার চিন্তা করার সময় এসেছে সে সত্যিই দ্বীন ইসলাম সম্পূর্ণ ভাবে পালন করছে কি না। নিশ্চয় যে পথে চলতে গেলে বাধা আসে না, যে পথ কণ্টকাকীর্ণ নয়, সে পথ দ্বীন ইসলামের পথ নয়। খুব চমৎকার ভাবে এই পথের পরিচয় দিয়েছেন ইবনুল কাইয়্যিম রাহিমাহুল্লাহ, কয়েকটি লাইনে ফুটিয়ে তুলেছেন চিন্তার একটি সমুদ্র - . এ পথ তো সে পথ!!!। যে পথে চলতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পরেছিলেন আদাম। ক্রন্দন করেছেন নূহ। আগুনে নিক্ষিপ্ত হয়েছেন ইব্রাহীম খলীল। যবেহ্‌ করার জন্য শোয়ানো হয়েছে ইসমাইলকে। খুব স্বল্প মূল্যে বিক্রয় করা হয়েছে ইয়ূসুফকে, কারাগারে কাটাতে হয়েছে জীবনের দীর্ঘ কয়েকটি বছর। জাকারিয়াকে করাত দ্বারা দ্বিখণ্ডিত করা হয়েছে। যবেহ্‌ করা হয়েছে নারী সংশ্রব থেকে মুক্ত সায়্যেদ ইয়াহইয়াকে। রোগে ভুগেছেন আইয়ূব। দাউদের ক্রন্দন, সীমা অতিক্রম করেছে। নিঃসঙ্গ জীবন যাপন করেছেন ঈসা। আলাইহিমুস সালাতু ওয়াস সালাম। নানা দুঃখ-দুর্দশা, কষ্ট-ক্লেশ ভোগ করেছেন শেষ নবী মুহাম্মাদ ﷺ। . আর তুমি (এখনও) খেল-তামাশায় মত্ত?!!! . [আল-ফাওয়ায়েদ, লি-ইবনিল কাইয়্যিম] . . আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন - জান্নাতকে বেষ্টন করে রাখা হয়েছে অপছন্দনীয় বস্তু দ্বারা এবং জাহান্নামকে বেষ্টন করে রাখা হয়েছে কামনা-বাসনা বস্তু দ্বারা। [সাহীহ মুসলিম] . আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন - মুমিনের উপমা শস্য জাতীয় গাছ এর ন্যায়। বাতাস সর্বদা উহাকে আন্দোলিত করে। অনুরূপভাবে মু'মিনের উপরও সর্বদা বিপদ-আপদ আসতে থাকে। আর মুনাফিকের উপমা দেবদারু বৃক্ষের ন্যায়। মূল না কাটা পর্যন্ত তা প্রকম্পিত হয় না। [সাহীহ মুসলিম] https://www.youtube.com/watch?v=oLYx9LFYzzg
    0 Comments 0 Shares 223 Views
  • সেদিন ক্বিয়ামত সংঘটিত হবে।

    সেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে ও বিক্ষিপ্ত হবে।

    এবং ফেরেশতাগণ আকাশের প্রান্তদেশে থাকবে ও আট জন ফেরেশতা আপনার পালনকর্তার আরশকে তাদের উর্ধ্বে বহন করবে।

    সেদিন তোমাদেরকে উপস্থিত করা হবে। তোমাদের কোন কিছু গোপন থাকবে না।

    [সূরা আল-হাক্বা, ১৫-১৮]


    https://www.youtube.com/watch?v=xIj5OmrxPoY
    সেদিন ক্বিয়ামত সংঘটিত হবে। সেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে ও বিক্ষিপ্ত হবে। এবং ফেরেশতাগণ আকাশের প্রান্তদেশে থাকবে ও আট জন ফেরেশতা আপনার পালনকর্তার আরশকে তাদের উর্ধ্বে বহন করবে। সেদিন তোমাদেরকে উপস্থিত করা হবে। তোমাদের কোন কিছু গোপন থাকবে না। [সূরা আল-হাক্বা, ১৫-১৮] https://www.youtube.com/watch?v=xIj5OmrxPoY
    0 Comments 0 Shares 242 Views
  • রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন -

    আমার উম্মাতের জন্য এমন একটা সময় আসবে যখন দ্বীনের উপর অটল থাকা, জ্বলন্ত অঙ্গার মুঠোতে ধরে রাখার মতো হবে”

    [মুসলিম]

    https://www.youtube.com/watch?v=RfEIm4D2Qc4
    রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন - আমার উম্মাতের জন্য এমন একটা সময় আসবে যখন দ্বীনের উপর অটল থাকা, জ্বলন্ত অঙ্গার মুঠোতে ধরে রাখার মতো হবে” [মুসলিম] https://www.youtube.com/watch?v=RfEIm4D2Qc4
    0 Comments 0 Shares 261 Views
  • ...আস্তে আস্তে যখন বুকের উপর মাটির ওজন বাড়তে থাকবে, আস্তে আস্তে যখন আলো কমতে থাকবে, যখন মাটির উপরের জগতটা থেকে আপনি সম্পূর্ণ ভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবেন, যখন সত্যিকার ভাবে আপনি জেগে উঠবেন, যখন সত্যিকার ভাবে বাস্তবতাকে আপনি উপলব্ধি করবেন, যখন প্রচণ্ড ভয়, অসহায়ত্ব, উৎকণ্ঠা আপনাকে গ্রাস করবে তখন আপনার পরিবার-পরিজন আপনার কাজে আসবে। আপনার সম্পদ আপনার উপকার করতে পারবে না।

    .

    মাটির ঘরে না আপনার পরিবার আপনার সাথে থাকবে, আর না-ই বা আপনার সম্পদ। আপনার দিনের অধিকাংশ সময়, আপনার শ্রম, আপনার মনোযোগ যে দুটো জিনিসের জন্য আপনি দিচ্ছেন তার কোনটাই সাড়ে তিন হাত মাটির নিচে আপনার কাজে আসবে না। আপনাকে সঙ্গ দেবে না।

    .

    তখন শুধুমাত্র আপনার সাথে থাকবে আপনার 'আমল...

    .

    কবরের এ অনিবার্য জীবনের জন্য আমরা কি প্রস্তুত করছি?

    https://www.youtube.com/watch?v=8omhmBLe4GE
    ...আস্তে আস্তে যখন বুকের উপর মাটির ওজন বাড়তে থাকবে, আস্তে আস্তে যখন আলো কমতে থাকবে, যখন মাটির উপরের জগতটা থেকে আপনি সম্পূর্ণ ভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবেন, যখন সত্যিকার ভাবে আপনি জেগে উঠবেন, যখন সত্যিকার ভাবে বাস্তবতাকে আপনি উপলব্ধি করবেন, যখন প্রচণ্ড ভয়, অসহায়ত্ব, উৎকণ্ঠা আপনাকে গ্রাস করবে তখন আপনার পরিবার-পরিজন আপনার কাজে আসবে। আপনার সম্পদ আপনার উপকার করতে পারবে না। . মাটির ঘরে না আপনার পরিবার আপনার সাথে থাকবে, আর না-ই বা আপনার সম্পদ। আপনার দিনের অধিকাংশ সময়, আপনার শ্রম, আপনার মনোযোগ যে দুটো জিনিসের জন্য আপনি দিচ্ছেন তার কোনটাই সাড়ে তিন হাত মাটির নিচে আপনার কাজে আসবে না। আপনাকে সঙ্গ দেবে না। . তখন শুধুমাত্র আপনার সাথে থাকবে আপনার 'আমল... . কবরের এ অনিবার্য জীবনের জন্য আমরা কি প্রস্তুত করছি? https://www.youtube.com/watch?v=8omhmBLe4GE
    0 Comments 1 Shares 907 Views
More Stories
Nuairah https://www.nuairah.com