Know Your Deen
Know Your Deen
O you who have believed, fear Allah as He should be feared and do not die except as Muslims [in submission to Him].
[Ali Imran, 102]
  • PBID: 0229001800000003
  • 3 persone piace questo elemento
  • 14 Articoli
  • 2 Foto
  • 0 Video
  • Anteprima
  • Altre informazioni
Cerca
Aggiornamenti recenti
  • শেষবার যখন ভূমিকম্প হল...যখন রাতের শেষভাবে প্রচণ্ড কম্পনে, প্রচণ্ড শব্দে, আদিম আতঙ্ক নিয়ে জেগে উঠে আমরা দেখলাম পায়ের নিচে মাটি প্রবল ভাবে প্রকম্পিত হচ্ছে তখন বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত শিশু সাহিত্যিক এবং কলাম লেখক আমাদের শেখাতে চাইলেন ভূমিকম্প হলে ভয় পাবার কিছু নেই। সবই হল টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়া মাত্র। বিখ্যাত লেখকের লেখার কারনেই কি না কে জানে, ভূমিকম্পের দিন দেখা গেল ফেইসবুকে ভূমিকম্প সেলফি আর ভূমিকম্পের “চেক-ইন” ভাইরাল।
    .
    আচ্ছা কল্পনা করুন তো...ঠিক আগের বারের মত একদিন ভোর রাতে ভূমিকম্প শুরু হল। গত কয়েক বছরে বার কয়েক ভূমিকম্পের অভিজ্ঞতার অভ্যাস হয়ে যাওয়ায় এবার আর হুড়োহুড়ি করে আপনি নামলেন না। গত কয়েক বারে দেখেছেন মিনিট দুয়েকের মধ্যে ভূমিকম্প থেকে যায়।
    .
    আপনি শান্ত হয়ে বসে অপেক্ষা করছেন। হাতে ঘড়ি। ভূমিকম্পের সময় সবাই যখন হুড়োহুড়ি করছিল তখন আপনি হাতে ঘড়ি নিয়ে বসেছিলেন –গল্পটা সকালে কিভাবে রসিয়ে রসিয়ে করবেন চিন্তা করে মুখের কোণে এক চিলতে হাসি।
    .
    কিন্তু আপনি একটু অবাক হয়ে দেখলেন ভূমিকম্প থামছে না। কমে আসার বদলে কম্পন বেড়েই যাচ্ছে। সিলিং ফ্যান বিপদজনক ভাবে দুলছে। খাট এতোক্ষণ কাঁপছিল, এখন মনে হচ্ছে লাফাচ্ছে। টলতে টলতে আপনি উঠে দাড়ালেন। সম্ভবত নিচে নামাই উচিত ছিল...আপনি হাটার চেষ্টা করছেন কিন্তু ভারসাম্য রাখতে পারছেন না। প্রচণ্ড শব্দে বুকশেলফটা পড়ে গেল, আপনি তীব্র আতঙ্কে দৌড় শুরু করতেই ইলেক্ট্রিসিটি চলে গেল...
    .
    মাটির কাপুনি থামছে না। অন্ধকারে কিছু দেখতে পারছেন না। প্রচণ্ড শব্দ, মানুষের চিৎকার। প্রচণ্ড শব্দের মধ্যেও আলাদা করে মেঝেতে ফাটল ধরার শব্দ আপনি বুঝতে পারলেন।। আপনি অন্ধকারে হাতড়ে হাতড়ে হামাগুড়ি দিয়ে সামনে এগুনোর চেষ্টা করছেন...কিন্তু কিছু বুঝে ওঠার আগেই আপনার নিচে মেঝে সম্পুর্ণ ভাবে ধসের পড়লো...আপনি বুঝতে পারলেন আপনাকে নিয়ে মেঝে ধ্বসে পড়েছে...প্রচণ্ড আতঙ্কে আপনি চিৎকার করা শুরু করলেন –
    .
    ভূমিকম্পকে ভয় পাবার কিছু নেই। সব টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়া…
    ভূমিকম্পকে ভয় পাবার কিছু নেই। সব টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়া…
    .
    .
    রাসূলুল্লাহ ﷺ চেয়েছেন আমরা যেন এই সব বিপদ গুলোকে ভয় পাই। আল্লাহ আমাদের এই সংকেত গুলো দেন আমরা যেন সতর্ক হতে পারি আর যেন ভয় পাই কিয়ামতের সেই কঠিন সময়কে। যেন সময় থাকতে আমরা নিজের শুধরাতে পারি। যেন তাওবাহ করি, আল্লাহর দিকে, ইসলামের দিকে ফিরে আসি।
    .
    আমরা কি ঠিক মত আল্লাহকে স্মরণ করছি? নাকি আমরা ওই খেলাঘর নিয়ে মেতে আছি যা চোখের পলকে ধূলিসাৎ হয়ে যেতে পারে?
    .
    #TurnToAllah
    #KnowYourDeen


    https://www.youtube.com/watch?v=4P3z2eo2NbU
    শেষবার যখন ভূমিকম্প হল...যখন রাতের শেষভাবে প্রচণ্ড কম্পনে, প্রচণ্ড শব্দে, আদিম আতঙ্ক নিয়ে জেগে উঠে আমরা দেখলাম পায়ের নিচে মাটি প্রবল ভাবে প্রকম্পিত হচ্ছে তখন বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত শিশু সাহিত্যিক এবং কলাম লেখক আমাদের শেখাতে চাইলেন ভূমিকম্প হলে ভয় পাবার কিছু নেই। সবই হল টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়া মাত্র। বিখ্যাত লেখকের লেখার কারনেই কি না কে জানে, ভূমিকম্পের দিন দেখা গেল ফেইসবুকে ভূমিকম্প সেলফি আর ভূমিকম্পের “চেক-ইন” ভাইরাল। . আচ্ছা কল্পনা করুন তো...ঠিক আগের বারের মত একদিন ভোর রাতে ভূমিকম্প শুরু হল। গত কয়েক বছরে বার কয়েক ভূমিকম্পের অভিজ্ঞতার অভ্যাস হয়ে যাওয়ায় এবার আর হুড়োহুড়ি করে আপনি নামলেন না। গত কয়েক বারে দেখেছেন মিনিট দুয়েকের মধ্যে ভূমিকম্প থেকে যায়। . আপনি শান্ত হয়ে বসে অপেক্ষা করছেন। হাতে ঘড়ি। ভূমিকম্পের সময় সবাই যখন হুড়োহুড়ি করছিল তখন আপনি হাতে ঘড়ি নিয়ে বসেছিলেন –গল্পটা সকালে কিভাবে রসিয়ে রসিয়ে করবেন চিন্তা করে মুখের কোণে এক চিলতে হাসি। . কিন্তু আপনি একটু অবাক হয়ে দেখলেন ভূমিকম্প থামছে না। কমে আসার বদলে কম্পন বেড়েই যাচ্ছে। সিলিং ফ্যান বিপদজনক ভাবে দুলছে। খাট এতোক্ষণ কাঁপছিল, এখন মনে হচ্ছে লাফাচ্ছে। টলতে টলতে আপনি উঠে দাড়ালেন। সম্ভবত নিচে নামাই উচিত ছিল...আপনি হাটার চেষ্টা করছেন কিন্তু ভারসাম্য রাখতে পারছেন না। প্রচণ্ড শব্দে বুকশেলফটা পড়ে গেল, আপনি তীব্র আতঙ্কে দৌড় শুরু করতেই ইলেক্ট্রিসিটি চলে গেল... . মাটির কাপুনি থামছে না। অন্ধকারে কিছু দেখতে পারছেন না। প্রচণ্ড শব্দ, মানুষের চিৎকার। প্রচণ্ড শব্দের মধ্যেও আলাদা করে মেঝেতে ফাটল ধরার শব্দ আপনি বুঝতে পারলেন।। আপনি অন্ধকারে হাতড়ে হাতড়ে হামাগুড়ি দিয়ে সামনে এগুনোর চেষ্টা করছেন...কিন্তু কিছু বুঝে ওঠার আগেই আপনার নিচে মেঝে সম্পুর্ণ ভাবে ধসের পড়লো...আপনি বুঝতে পারলেন আপনাকে নিয়ে মেঝে ধ্বসে পড়েছে...প্রচণ্ড আতঙ্কে আপনি চিৎকার করা শুরু করলেন – . ভূমিকম্পকে ভয় পাবার কিছু নেই। সব টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়া… ভূমিকম্পকে ভয় পাবার কিছু নেই। সব টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়া… . . রাসূলুল্লাহ ﷺ চেয়েছেন আমরা যেন এই সব বিপদ গুলোকে ভয় পাই। আল্লাহ আমাদের এই সংকেত গুলো দেন আমরা যেন সতর্ক হতে পারি আর যেন ভয় পাই কিয়ামতের সেই কঠিন সময়কে। যেন সময় থাকতে আমরা নিজের শুধরাতে পারি। যেন তাওবাহ করি, আল্লাহর দিকে, ইসলামের দিকে ফিরে আসি। . আমরা কি ঠিক মত আল্লাহকে স্মরণ করছি? নাকি আমরা ওই খেলাঘর নিয়ে মেতে আছি যা চোখের পলকে ধূলিসাৎ হয়ে যেতে পারে? . #TurnToAllah #KnowYourDeen https://www.youtube.com/watch?v=4P3z2eo2NbU
    0 Commenti 1 condivisioni 144 Views
  • কিছু জিনিস আগুনে পুড়ে যায়, কিছু জিনিস বিশুদ্ধ হয়।
    .
    তাওহীদের পথে চলতে গেলে পরীক্ষা আসবেই। এটাই নিয়ম। এ পরীক্ষাসমূহের মাধ্যমে আর-রাহমান তার বান্দাদের মধ্যে থেকে বাছাই করে নেন তাদেরকে যারা লাভ করবে তাঁর নৈকট্য। এ পরীক্ষাসমূহের মাধ্যমে আর-রাহমান তার বাছাইকৃত বান্দাদের মর্যাদা দান করেন, সম্মানিত করেন।
    .
    যার দ্বীন পালনে কাফির-যালিমদের পক্ষ থেকে বাধা আসে না হয়তো তার চিন্তা করার সময় এসেছে সে সত্যিই দ্বীন ইসলাম সম্পূর্ণ ভাবে পালন করছে কি না। নিশ্চয় যে পথে চলতে গেলে বাধা আসে না, যে পথ কণ্টকাকীর্ণ নয়, সে পথ দ্বীন ইসলামের পথ নয়। খুব চমৎকার ভাবে এই পথের পরিচয় দিয়েছেন ইবনুল কাইয়্যিম রাহিমাহুল্লাহ, কয়েকটি লাইনে ফুটিয়ে তুলেছেন চিন্তার একটি সমুদ্র -
    .
    এ পথ তো সে পথ!!!। যে পথে চলতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পরেছিলেন আদাম। ক্রন্দন করেছেন নূহ। আগুনে নিক্ষিপ্ত হয়েছেন ইব্রাহীম খলীল। যবেহ্‌ করার জন্য শোয়ানো হয়েছে ইসমাইলকে। খুব স্বল্প মূল্যে বিক্রয় করা হয়েছে ইয়ূসুফকে, কারাগারে কাটাতে হয়েছে জীবনের দীর্ঘ কয়েকটি বছর। জাকারিয়াকে করাত দ্বারা দ্বিখণ্ডিত করা হয়েছে। যবেহ্‌ করা হয়েছে নারী সংশ্রব থেকে মুক্ত সায়্যেদ ইয়াহইয়াকে। রোগে ভুগেছেন আইয়ূব। দাউদের ক্রন্দন, সীমা অতিক্রম করেছে। নিঃসঙ্গ জীবন যাপন করেছেন ঈসা। আলাইহিমুস সালাতু ওয়াস সালাম। নানা দুঃখ-দুর্দশা, কষ্ট-ক্লেশ ভোগ করেছেন শেষ নবী মুহাম্মাদ ﷺ।
    .
    আর তুমি (এখনও) খেল-তামাশায় মত্ত?!!!
    .
    [আল-ফাওয়ায়েদ, লি-ইবনিল কাইয়্যিম]
    .
    .
    আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন -
    জান্নাতকে বেষ্টন করে রাখা হয়েছে অপছন্দনীয় বস্তু দ্বারা এবং জাহান্নামকে বেষ্টন করে রাখা হয়েছে কামনা-বাসনা বস্তু দ্বারা। [সাহীহ মুসলিম]
    .
    আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন -
    মুমিনের উপমা শস্য জাতীয় গাছ এর ন্যায়। বাতাস সর্বদা উহাকে আন্দোলিত করে। অনুরূপভাবে মু'মিনের উপরও সর্বদা বিপদ-আপদ আসতে থাকে। আর মুনাফিকের উপমা দেবদারু বৃক্ষের ন্যায়। মূল না কাটা পর্যন্ত তা প্রকম্পিত হয় না। [সাহীহ মুসলিম]

    https://www.youtube.com/watch?v=oLYx9LFYzzg
    কিছু জিনিস আগুনে পুড়ে যায়, কিছু জিনিস বিশুদ্ধ হয়। . তাওহীদের পথে চলতে গেলে পরীক্ষা আসবেই। এটাই নিয়ম। এ পরীক্ষাসমূহের মাধ্যমে আর-রাহমান তার বান্দাদের মধ্যে থেকে বাছাই করে নেন তাদেরকে যারা লাভ করবে তাঁর নৈকট্য। এ পরীক্ষাসমূহের মাধ্যমে আর-রাহমান তার বাছাইকৃত বান্দাদের মর্যাদা দান করেন, সম্মানিত করেন। . যার দ্বীন পালনে কাফির-যালিমদের পক্ষ থেকে বাধা আসে না হয়তো তার চিন্তা করার সময় এসেছে সে সত্যিই দ্বীন ইসলাম সম্পূর্ণ ভাবে পালন করছে কি না। নিশ্চয় যে পথে চলতে গেলে বাধা আসে না, যে পথ কণ্টকাকীর্ণ নয়, সে পথ দ্বীন ইসলামের পথ নয়। খুব চমৎকার ভাবে এই পথের পরিচয় দিয়েছেন ইবনুল কাইয়্যিম রাহিমাহুল্লাহ, কয়েকটি লাইনে ফুটিয়ে তুলেছেন চিন্তার একটি সমুদ্র - . এ পথ তো সে পথ!!!। যে পথে চলতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পরেছিলেন আদাম। ক্রন্দন করেছেন নূহ। আগুনে নিক্ষিপ্ত হয়েছেন ইব্রাহীম খলীল। যবেহ্‌ করার জন্য শোয়ানো হয়েছে ইসমাইলকে। খুব স্বল্প মূল্যে বিক্রয় করা হয়েছে ইয়ূসুফকে, কারাগারে কাটাতে হয়েছে জীবনের দীর্ঘ কয়েকটি বছর। জাকারিয়াকে করাত দ্বারা দ্বিখণ্ডিত করা হয়েছে। যবেহ্‌ করা হয়েছে নারী সংশ্রব থেকে মুক্ত সায়্যেদ ইয়াহইয়াকে। রোগে ভুগেছেন আইয়ূব। দাউদের ক্রন্দন, সীমা অতিক্রম করেছে। নিঃসঙ্গ জীবন যাপন করেছেন ঈসা। আলাইহিমুস সালাতু ওয়াস সালাম। নানা দুঃখ-দুর্দশা, কষ্ট-ক্লেশ ভোগ করেছেন শেষ নবী মুহাম্মাদ ﷺ। . আর তুমি (এখনও) খেল-তামাশায় মত্ত?!!! . [আল-ফাওয়ায়েদ, লি-ইবনিল কাইয়্যিম] . . আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন - জান্নাতকে বেষ্টন করে রাখা হয়েছে অপছন্দনীয় বস্তু দ্বারা এবং জাহান্নামকে বেষ্টন করে রাখা হয়েছে কামনা-বাসনা বস্তু দ্বারা। [সাহীহ মুসলিম] . আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেন - মুমিনের উপমা শস্য জাতীয় গাছ এর ন্যায়। বাতাস সর্বদা উহাকে আন্দোলিত করে। অনুরূপভাবে মু'মিনের উপরও সর্বদা বিপদ-আপদ আসতে থাকে। আর মুনাফিকের উপমা দেবদারু বৃক্ষের ন্যায়। মূল না কাটা পর্যন্ত তা প্রকম্পিত হয় না। [সাহীহ মুসলিম] https://www.youtube.com/watch?v=oLYx9LFYzzg
    0 Commenti 0 condivisioni 8 Views
  • সেদিন ক্বিয়ামত সংঘটিত হবে।

    সেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে ও বিক্ষিপ্ত হবে।

    এবং ফেরেশতাগণ আকাশের প্রান্তদেশে থাকবে ও আট জন ফেরেশতা আপনার পালনকর্তার আরশকে তাদের উর্ধ্বে বহন করবে।

    সেদিন তোমাদেরকে উপস্থিত করা হবে। তোমাদের কোন কিছু গোপন থাকবে না।

    [সূরা আল-হাক্বা, ১৫-১৮]


    https://www.youtube.com/watch?v=xIj5OmrxPoY
    সেদিন ক্বিয়ামত সংঘটিত হবে। সেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে ও বিক্ষিপ্ত হবে। এবং ফেরেশতাগণ আকাশের প্রান্তদেশে থাকবে ও আট জন ফেরেশতা আপনার পালনকর্তার আরশকে তাদের উর্ধ্বে বহন করবে। সেদিন তোমাদেরকে উপস্থিত করা হবে। তোমাদের কোন কিছু গোপন থাকবে না। [সূরা আল-হাক্বা, ১৫-১৮] https://www.youtube.com/watch?v=xIj5OmrxPoY
    0 Commenti 0 condivisioni 15 Views
  • রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন -

    আমার উম্মাতের জন্য এমন একটা সময় আসবে যখন দ্বীনের উপর অটল থাকা, জ্বলন্ত অঙ্গার মুঠোতে ধরে রাখার মতো হবে”

    [মুসলিম]

    https://www.youtube.com/watch?v=RfEIm4D2Qc4
    রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন - আমার উম্মাতের জন্য এমন একটা সময় আসবে যখন দ্বীনের উপর অটল থাকা, জ্বলন্ত অঙ্গার মুঠোতে ধরে রাখার মতো হবে” [মুসলিম] https://www.youtube.com/watch?v=RfEIm4D2Qc4
    0 Commenti 0 condivisioni 39 Views
  • ...আস্তে আস্তে যখন বুকের উপর মাটির ওজন বাড়তে থাকবে, আস্তে আস্তে যখন আলো কমতে থাকবে, যখন মাটির উপরের জগতটা থেকে আপনি সম্পূর্ণ ভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবেন, যখন সত্যিকার ভাবে আপনি জেগে উঠবেন, যখন সত্যিকার ভাবে বাস্তবতাকে আপনি উপলব্ধি করবেন, যখন প্রচণ্ড ভয়, অসহায়ত্ব, উৎকণ্ঠা আপনাকে গ্রাস করবে তখন আপনার পরিবার-পরিজন আপনার কাজে আসবে। আপনার সম্পদ আপনার উপকার করতে পারবে না।

    .

    মাটির ঘরে না আপনার পরিবার আপনার সাথে থাকবে, আর না-ই বা আপনার সম্পদ। আপনার দিনের অধিকাংশ সময়, আপনার শ্রম, আপনার মনোযোগ যে দুটো জিনিসের জন্য আপনি দিচ্ছেন তার কোনটাই সাড়ে তিন হাত মাটির নিচে আপনার কাজে আসবে না। আপনাকে সঙ্গ দেবে না।

    .

    তখন শুধুমাত্র আপনার সাথে থাকবে আপনার 'আমল...

    .

    কবরের এ অনিবার্য জীবনের জন্য আমরা কি প্রস্তুত করছি?

    https://www.youtube.com/watch?v=8omhmBLe4GE
    ...আস্তে আস্তে যখন বুকের উপর মাটির ওজন বাড়তে থাকবে, আস্তে আস্তে যখন আলো কমতে থাকবে, যখন মাটির উপরের জগতটা থেকে আপনি সম্পূর্ণ ভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবেন, যখন সত্যিকার ভাবে আপনি জেগে উঠবেন, যখন সত্যিকার ভাবে বাস্তবতাকে আপনি উপলব্ধি করবেন, যখন প্রচণ্ড ভয়, অসহায়ত্ব, উৎকণ্ঠা আপনাকে গ্রাস করবে তখন আপনার পরিবার-পরিজন আপনার কাজে আসবে। আপনার সম্পদ আপনার উপকার করতে পারবে না। . মাটির ঘরে না আপনার পরিবার আপনার সাথে থাকবে, আর না-ই বা আপনার সম্পদ। আপনার দিনের অধিকাংশ সময়, আপনার শ্রম, আপনার মনোযোগ যে দুটো জিনিসের জন্য আপনি দিচ্ছেন তার কোনটাই সাড়ে তিন হাত মাটির নিচে আপনার কাজে আসবে না। আপনাকে সঙ্গ দেবে না। . তখন শুধুমাত্র আপনার সাথে থাকবে আপনার 'আমল... . কবরের এ অনিবার্য জীবনের জন্য আমরা কি প্রস্তুত করছি? https://www.youtube.com/watch?v=8omhmBLe4GE
    0 Commenti 1 condivisioni 186 Views
  • 0 Commenti 0 condivisioni 106 Views
  • 0 Commenti 0 condivisioni 105 Views
Altre storie
Nuairah https://www.nuairah.com