ilmweb
A knowledge-centrum based on the cognition and methodology of the Pious predecessors.
  • PBID: 0018000400000001
  • 3 people like this
  • 13 Posts
  • 11 Photos
  • 0 Videos
  • Reviews
  • Education
Search
Recent Updates
  • রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন —❝তুমি আল্লাহর হিফাজত করো, তিনি তোমাকে হিফাজত করবেন। তুমি আল্লাহর হিফাজত করো, তাঁকে তোমার সামনেই পাবে। স্...
    রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন —❝তুমি আল্লাহর হিফাজত করো, তিনি তোমাকে হিফাজত করবেন। তুমি আল্লাহর হিফাজত করো, তাঁকে তোমার সামনেই পাবে। স্...
    0 Comments 0 Shares 9 Views 0 Reviews
  • রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন —
    ❝তুমি আল্লাহর হিফাজত করো, তিনি তোমাকে হিফাজত করবেন। তুমি আল্লাহর হিফাজত করো, তাঁকে তোমার সামনেই পাবে। স্বাচ্ছন্দ্যের সময় আল্লাহকে চিনে রাখো, তিনি কঠিন সময়ে তোমাকে স্মরণে রাখবেন।❞

    আমাদের প্রকাশিত বইগুলো অর্ডার করতে ভিজিট করুন : https://ilmweb.net/shop
    _____
    ►আমাদের ওয়েবসাইট: https://ilmweb.net/
    ►ফেসবুক- / ilmweb
    ►ইনস্টাগ্রাম- / ilmweb
    ►টুইটার- / ilmweb
    ►টেলিগ্রাম- https://t.me/ilmweb_net
    রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন — ❝তুমি আল্লাহর হিফাজত করো, তিনি তোমাকে হিফাজত করবেন। তুমি আল্লাহর হিফাজত করো, তাঁকে তোমার সামনেই পাবে। স্বাচ্ছন্দ্যের সময় আল্লাহকে চিনে রাখো, তিনি কঠিন সময়ে তোমাকে স্মরণে রাখবেন।❞ আমাদের প্রকাশিত বইগুলো অর্ডার করতে ভিজিট করুন : https://ilmweb.net/shop _____ ►আমাদের ওয়েবসাইট: https://ilmweb.net/ ►ফেসবুক- / ilmweb ►ইনস্টাগ্রাম- / ilmweb ►টুইটার- / ilmweb ►টেলিগ্রাম- https://t.me/ilmweb_net
    0 Comments 0 Shares 21 Views 0 Reviews
  • ❝আমাদের জাতির এই লোকেরা তাঁর পরিবর্তে বহু ইলাহ গ্রহণ করেছে, তারা তাদের ইলাহদের ব্যাপারে সুস্পষ্ট দলীল প্রমাণ পেশ করে না কেন? তার থেকে বড় যালিম আর কে হতে পারে যে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা রচনা করে?❞

    [ সুরা আল-কাহফ, ১৮ : ১৫ ]



    ইমাম ইবনু জারির আত-তাবারি (রাহিমাহুল্লাহ) ব্যাখ্যা করেন, এখানে ‘তাঁকে বাদ দিয়ে’ বলতে আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্যদের উপাস্য হিসেবে গ্রহণ করাকে বোঝানো হয়েছে। ইমাম আল-কুরতুবি (রাহিমাহুল্লাহ) উল্লেখ করেন, আসহাবে কাহফের জাতি কোনো দলিল-প্রমাণ ছাড়াই পূর্ববর্তী রীতি অনুসরণ করে মূর্তিপূজায় লিপ্ত হয়েছিল।



    لَوْلَا يَأْتُونَ عَلَيْهِم بِسُلْطَانٍ بَيِّنٍ

    —আয়াতের এ অংশে আসহাবে কাহফ তাদের জাতির শিরকের অসারতা তুলে ধরে প্রশ্ন করেছেন, তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাদের ইলাহ হিসেবে গ্রহণ করেছে, তাদের উপাসনার পক্ষে সুস্পষ্ট প্রমাণ পেশ করে না কেন? ইমাম আল-কুরতুবি (রাহিমাহুল্লাহ) ব্যাখ্যা করেন, এখানে (لَوْلَا) ‘লাওলা’ শব্দটি ভর্ৎসনা ও চ্যালেঞ্জের অর্থ প্রকাশ করছে।



    فَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنِ افْتَرَىٰ عَلَى اللَّهِ كَذِبًا

    — এখানে আল্লাহ তাআলা শিরকের ভয়াবহতা তুলে ধরেছেন। ইমাম আত-তাবারি (রাহিমাহুল্লাহ) ব্যাখ্যা করেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর মিথ্যা আরোপ করে এবং তাঁর ইবাদত ও কর্তৃত্বে অন্যকে শরিক করে, তার চেয়ে বড় সীমালঙ্ঘনকারী আর কে? ইমাম আবদুর রহমান আস-সাদি (রাহিমাহুল্লাহ) ব্যাখ্যা করেন, তাঁদের জাতি শিরকের ওপর কোনো নিশ্চিত জ্ঞান বা প্রমাণের ভিত্তিতে ছিল না; বরং তারা ছিল অজ্ঞতা ও ভ্রষ্টতার মধ্যে। আল্লাহর ওপর মিথ্যা আরোপই ছিল তাদের এ অবস্থানের প্রকৃত স্বরূপ।



    এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোনো বিশ্বাস বহু মানুষের মধ্যে প্রচলিত হলেই তা সত্য হয়ে যায় না। সত্য-মিথ্যা নির্ধারিত হবে আল্লাহর নাজিলকৃত ওহি ও তার বিশুদ্ধ দলিলের ভিত্তিতে। আসহাবে কাহফ তাঁদের জাতির প্রচলিত বিশ্বাসের বিপরীতে তাওহিদের অবস্থান গ্রহণ করেছিলেন এবং শিরকের পক্ষে প্রমাণ দাবি করেছিলেন (মূলত তাদের উপাস্যদের অসারতা প্রমাণ করেছিলেন ও শিরককে ভর্ৎসনা করেছিলেন)।



    তাফসির ও সংশ্লিষ্ট সূত্র :

    1. জামিউল বায়ান

    2. তাফসির ইবনু কাসির

    3. তাইসিরুল কারিমির রহমান

    4. আল-জামি‘ লি আহকামিল কুরআন





    (Feed generated with FetchRSS)
    ❝আমাদের জাতির এই লোকেরা তাঁর পরিবর্তে বহু ইলাহ গ্রহণ করেছে, তারা তাদের ইলাহদের ব্যাপারে সুস্পষ্ট দলীল প্রমাণ পেশ করে না কেন? তার থেকে বড় যালিম আর কে হতে পারে যে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা রচনা করে?❞ [ সুরা আল-কাহফ, ১৮ : ১৫ ] ইমাম ইবনু জারির আত-তাবারি (রাহিমাহুল্লাহ) ব্যাখ্যা করেন, এখানে ‘তাঁকে বাদ দিয়ে’ বলতে আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্যদের উপাস্য হিসেবে গ্রহণ করাকে বোঝানো হয়েছে। ইমাম আল-কুরতুবি (রাহিমাহুল্লাহ) উল্লেখ করেন, আসহাবে কাহফের জাতি কোনো দলিল-প্রমাণ ছাড়াই পূর্ববর্তী রীতি অনুসরণ করে মূর্তিপূজায় লিপ্ত হয়েছিল। لَوْلَا يَأْتُونَ عَلَيْهِم بِسُلْطَانٍ بَيِّنٍ —আয়াতের এ অংশে আসহাবে কাহফ তাদের জাতির শিরকের অসারতা তুলে ধরে প্রশ্ন করেছেন, তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাদের ইলাহ হিসেবে গ্রহণ করেছে, তাদের উপাসনার পক্ষে সুস্পষ্ট প্রমাণ পেশ করে না কেন? ইমাম আল-কুরতুবি (রাহিমাহুল্লাহ) ব্যাখ্যা করেন, এখানে (لَوْلَا) ‘লাওলা’ শব্দটি ভর্ৎসনা ও চ্যালেঞ্জের অর্থ প্রকাশ করছে। فَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنِ افْتَرَىٰ عَلَى اللَّهِ كَذِبًا — এখানে আল্লাহ তাআলা শিরকের ভয়াবহতা তুলে ধরেছেন। ইমাম আত-তাবারি (রাহিমাহুল্লাহ) ব্যাখ্যা করেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর মিথ্যা আরোপ করে এবং তাঁর ইবাদত ও কর্তৃত্বে অন্যকে শরিক করে, তার চেয়ে বড় সীমালঙ্ঘনকারী আর কে? ইমাম আবদুর রহমান আস-সাদি (রাহিমাহুল্লাহ) ব্যাখ্যা করেন, তাঁদের জাতি শিরকের ওপর কোনো নিশ্চিত জ্ঞান বা প্রমাণের ভিত্তিতে ছিল না; বরং তারা ছিল অজ্ঞতা ও ভ্রষ্টতার মধ্যে। আল্লাহর ওপর মিথ্যা আরোপই ছিল তাদের এ অবস্থানের প্রকৃত স্বরূপ। এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোনো বিশ্বাস বহু মানুষের মধ্যে প্রচলিত হলেই তা সত্য হয়ে যায় না। সত্য-মিথ্যা নির্ধারিত হবে আল্লাহর নাজিলকৃত ওহি ও তার বিশুদ্ধ দলিলের ভিত্তিতে। আসহাবে কাহফ তাঁদের জাতির প্রচলিত বিশ্বাসের বিপরীতে তাওহিদের অবস্থান গ্রহণ করেছিলেন এবং শিরকের পক্ষে প্রমাণ দাবি করেছিলেন (মূলত তাদের উপাস্যদের অসারতা প্রমাণ করেছিলেন ও শিরককে ভর্ৎসনা করেছিলেন)। তাফসির ও সংশ্লিষ্ট সূত্র : 1. জামিউল বায়ান 2. তাফসির ইবনু কাসির 3. তাইসিরুল কারিমির রহমান 4. আল-জামি‘ লি আহকামিল কুরআন (Feed generated with FetchRSS)
    0 Comments 0 Shares 5 Views 0 Reviews
  • ❝আমাদের জাতির এই লোকেরা তাঁর পরিবর্তে বহু ইলাহ গ্রহণ করেছে, তারা তাদের ইলাহদের ব্যাপারে সুস্পষ্ট দলীল প্রমাণ পেশ করে না কেন? তার থেকে বড় যালিম আর কে হতে পারে যে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা রচনা করে?❞
    [ সুরা আল-কাহফ, ১৮ : ১৫ ]
    ইমাম ইবনু জারির আত-তাবারি (রাহিমাহুল্লাহ) ব্যাখ্যা করেন, এখানে ‘তাঁকে বাদ দিয়ে’ বলতে আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্যদের উপাস্য হিসেবে গ্রহণ করাকে বোঝানো হয়েছে। ইমাম আল-কুরতুবি (রাহিমাহুল্লাহ) উল্লেখ করেন, আসহাবে কাহফের জাতি কোনো দলিল-প্রমাণ ছাড়াই পূর্ববর্তী রীতি অনুসরণ করে মূর্তিপূজায় লিপ্ত হয়েছিল।
    لَوْلَا يَأْتُونَ عَلَيْهِم بِسُلْطَانٍ بَيِّنٍ
    —আয়াতের এ অংশে আসহাবে কাহফ তাদের জাতির শিরকের অসারতা তুলে ধরে প্রশ্ন করেছেন, তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাদের ইলাহ হিসেবে গ্রহণ করেছে, তাদের উপাসনার পক্ষে সুস্পষ্ট প্রমাণ পেশ করে না কেন? ইমাম আল-কুরতুবি (রাহিমাহুল্লাহ) ব্যাখ্যা করেন, এখানে (لَوْلَا) ‘লাওলা’ শব্দটি ভর্ৎসনা ও চ্যালেঞ্জের অর্থ প্রকাশ করছে।
    فَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنِ افْتَرَىٰ عَلَى اللَّهِ كَذِبًا
    — এখানে আল্লাহ তাআলা শিরকের ভয়াবহতা তুলে ধরেছেন। ইমাম আত-তাবারি (রাহিমাহুল্লাহ) ব্যাখ্যা করেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর মিথ্যা আরোপ করে এবং তাঁর ইবাদত ও কর্তৃত্বে অন্যকে শরিক করে, তার চেয়ে বড় সীমালঙ্ঘনকারী আর কে? ইমাম আবদুর রহমান আস-সাদি (রাহিমাহুল্লাহ) ব্যাখ্যা করেন, তাঁদের জাতি শিরকের ওপর কোনো নিশ্চিত জ্ঞান বা প্রমাণের ভিত্তিতে ছিল না; বরং তারা ছিল অজ্ঞতা ও ভ্রষ্টতার মধ্যে। আল্লাহর ওপর মিথ্যা আরোপই ছিল তাদের এ অবস্থানের প্রকৃত স্বরূপ।
    এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোনো বিশ্বাস বহু মানুষের মধ্যে প্রচলিত হলেই তা সত্য হয়ে যায় না। সত্য-মিথ্যা নির্ধারিত হবে আল্লাহর নাজিলকৃত ওহি ও তার বিশুদ্ধ দলিলের ভিত্তিতে। আসহাবে কাহফ তাঁদের জাতির প্রচলিত বিশ্বাসের বিপরীতে তাওহিদের অবস্থান গ্রহণ করেছিলেন এবং শিরকের পক্ষে প্রমাণ দাবি করেছিলেন (মূলত তাদের উপাস্যদের অসারতা প্রমাণ করেছিলেন ও শিরককে ভর্ৎসনা করেছিলেন)।
    তাফসির ও সংশ্লিষ্ট সূত্র :
    1. জামিউল বায়ান
    2. তাফসির ইবনু কাসির
    3. তাইসিরুল কারিমির রহমান
    4. আল-জামি‘ লি আহকামিল কুরআন
    ❝আমাদের জাতির এই লোকেরা তাঁর পরিবর্তে বহু ইলাহ গ্রহণ করেছে, তারা তাদের ইলাহদের ব্যাপারে সুস্পষ্ট দলীল প্রমাণ পেশ করে না কেন? তার থেকে বড় যালিম আর কে হতে পারে যে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা রচনা করে?❞ [ সুরা আল-কাহফ, ১৮ : ১৫ ] ইমাম ইবনু জারির আত-তাবারি (রাহিমাহুল্লাহ) ব্যাখ্যা করেন, এখানে ‘তাঁকে বাদ দিয়ে’ বলতে আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্যদের উপাস্য হিসেবে গ্রহণ করাকে বোঝানো হয়েছে। ইমাম আল-কুরতুবি (রাহিমাহুল্লাহ) উল্লেখ করেন, আসহাবে কাহফের জাতি কোনো দলিল-প্রমাণ ছাড়াই পূর্ববর্তী রীতি অনুসরণ করে মূর্তিপূজায় লিপ্ত হয়েছিল। لَوْلَا يَأْتُونَ عَلَيْهِم بِسُلْطَانٍ بَيِّنٍ —আয়াতের এ অংশে আসহাবে কাহফ তাদের জাতির শিরকের অসারতা তুলে ধরে প্রশ্ন করেছেন, তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে যাদের ইলাহ হিসেবে গ্রহণ করেছে, তাদের উপাসনার পক্ষে সুস্পষ্ট প্রমাণ পেশ করে না কেন? ইমাম আল-কুরতুবি (রাহিমাহুল্লাহ) ব্যাখ্যা করেন, এখানে (لَوْلَا) ‘লাওলা’ শব্দটি ভর্ৎসনা ও চ্যালেঞ্জের অর্থ প্রকাশ করছে। فَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنِ افْتَرَىٰ عَلَى اللَّهِ كَذِبًا — এখানে আল্লাহ তাআলা শিরকের ভয়াবহতা তুলে ধরেছেন। ইমাম আত-তাবারি (রাহিমাহুল্লাহ) ব্যাখ্যা করেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর মিথ্যা আরোপ করে এবং তাঁর ইবাদত ও কর্তৃত্বে অন্যকে শরিক করে, তার চেয়ে বড় সীমালঙ্ঘনকারী আর কে? ইমাম আবদুর রহমান আস-সাদি (রাহিমাহুল্লাহ) ব্যাখ্যা করেন, তাঁদের জাতি শিরকের ওপর কোনো নিশ্চিত জ্ঞান বা প্রমাণের ভিত্তিতে ছিল না; বরং তারা ছিল অজ্ঞতা ও ভ্রষ্টতার মধ্যে। আল্লাহর ওপর মিথ্যা আরোপই ছিল তাদের এ অবস্থানের প্রকৃত স্বরূপ। এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কোনো বিশ্বাস বহু মানুষের মধ্যে প্রচলিত হলেই তা সত্য হয়ে যায় না। সত্য-মিথ্যা নির্ধারিত হবে আল্লাহর নাজিলকৃত ওহি ও তার বিশুদ্ধ দলিলের ভিত্তিতে। আসহাবে কাহফ তাঁদের জাতির প্রচলিত বিশ্বাসের বিপরীতে তাওহিদের অবস্থান গ্রহণ করেছিলেন এবং শিরকের পক্ষে প্রমাণ দাবি করেছিলেন (মূলত তাদের উপাস্যদের অসারতা প্রমাণ করেছিলেন ও শিরককে ভর্ৎসনা করেছিলেন)। তাফসির ও সংশ্লিষ্ট সূত্র : 1. জামিউল বায়ান 2. তাফসির ইবনু কাসির 3. তাইসিরুল কারিমির রহমান 4. আল-জামি‘ লি আহকামিল কুরআন
    0 Comments 0 Shares 43 Views 0 Reviews
  • উন্মুক্ত হালাকাহ
    মুদাররিস : উসতায শাইখুল ইসলাম (হাফিযাহুল্লাহ)
    তারিখ : ২৩ অক্টোবর, শুক্রবার
    সময় : বিকেল ৪.০০ টা
    স্থান : ৮৩১, সর্দারবাড়ি, শহিদ লতিফ সড়ক, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০
    বোনদের জন্য থাকবে অংশগ্রহণের আলাদা ব্যবস্থা (অবশ্যই মাহরামের সাথে আসতে হবে)।
    .
    যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন : ০১৫৫০৭০৮৬৯০ (হোয়াটসঅ্যাপ)
    .
    [ নোট : ইলমওয়েব স্কুলিং -এ আসরের সালাতের জামাত বেলা ৩.৪৫ থেকে শুরু হয়। তাই অনুরোধ থাকবে আপনারা সময়ের ব্যাপারটা মাথায় রেখে রওনা হবেন। ]
    উন্মুক্ত হালাকাহ মুদাররিস : উসতায শাইখুল ইসলাম (হাফিযাহুল্লাহ) তারিখ : ২৩ অক্টোবর, শুক্রবার সময় : বিকেল ৪.০০ টা স্থান : ৮৩১, সর্দারবাড়ি, শহিদ লতিফ সড়ক, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০ বোনদের জন্য থাকবে অংশগ্রহণের আলাদা ব্যবস্থা (অবশ্যই মাহরামের সাথে আসতে হবে)। . যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন : ০১৫৫০৭০৮৬৯০ (হোয়াটসঅ্যাপ) . [ নোট : ইলমওয়েব স্কুলিং -এ আসরের সালাতের জামাত বেলা ৩.৪৫ থেকে শুরু হয়। তাই অনুরোধ থাকবে আপনারা সময়ের ব্যাপারটা মাথায় রেখে রওনা হবেন। ]
    0 Comments 0 Shares 42 Views 0 Reviews
  • ❝নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য ইব্রাহিম ও তাঁর অনুসারীদের মাঝে রয়েছে উত্তম আদর্শ। তারা তাদের জাতিকে বলেছিল, ‘তোমাদের সঙ্গে এবং তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের ইবাদাত কর তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা তোমাদেরকে মানিনা। তোমাদের ও আমাদের মধ্যে শুরু হল শত্রুতা ও বিদ্বেষ চিরকালের জন্য, যতক্ষণ পর্যন্ত না তোমরা এক আল্লাহ প্রতি ইমান আনবে।❞
    [ সুরা আল-মুমতাহিনা, ৬০ : ৪ ]
    ❝নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য ইব্রাহিম ও তাঁর অনুসারীদের মাঝে রয়েছে উত্তম আদর্শ। তারা তাদের জাতিকে বলেছিল, ‘তোমাদের সঙ্গে এবং তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের ইবাদাত কর তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা তোমাদেরকে মানিনা। তোমাদের ও আমাদের মধ্যে শুরু হল শত্রুতা ও বিদ্বেষ চিরকালের জন্য, যতক্ষণ পর্যন্ত না তোমরা এক আল্লাহ প্রতি ইমান আনবে।❞ [ সুরা আল-মুমতাহিনা, ৬০ : ৪ ]
    0 Comments 0 Shares 48 Views 0 Reviews
  • “নিশ্চয়ই যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাদের প্রতি দুনিয়া ও আখিরাতে অভিশাপ দিয়েছেন এবং তাদের জন্য প্রস্তুত রেখেছেন লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি।” [সুরা আল-আহযাব, ৩৩ : ৫৭]
    .
    এই আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাঁর ও তাঁর রাসুল ﷺ-এর প্রতি কষ্টদায়ক আচরণের ভয়াবহতা এবং এর পরিণতি বর্ণনা করেছেন। ইমাম আবদুর রহমান আস-সাদি (রাহিমাহুল্লাহ) এই আয়াতের তাফসিরে বলেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসুল ﷺ-কে কষ্ট দেওয়ার মধ্যে—কথা ও কাজের মাধ্যমে কষ্ট দেওয়া, গালি দেওয়া, তাঁদের মর্যাদা খাটো করা এবং দ্বীনকে হেয় করা অন্তর্ভুক্ত। ইমাম ইবনু কাসির (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে দোষারোপ করা, তাঁর মর্যাদা খাটো করা কিংবা যেকোনোভাবে তাঁকে কষ্ট দেওয়া এই আয়াতের অন্তর্ভুক্ত। আয়াতটির বক্তব্য ব্যাপক; এটি কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
    ইমাম আল-কুরতুবি (রাহিমাহুল্লাহ) এই আয়াতের তাফসিরে যা উল্লেখ এর সারমর্ম হচ্ছে, রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে কষ্ট দেওয়া শুধু শারীরিক নির্যাতনে সীমাবদ্ধ নয়; বরং তাঁকে অবমাননাকর কথা বলা, তাঁর প্রতি মিথ্যা অপবাদ দেওয়া এবং তাঁর মর্যাদার পরিপন্থী আচরণ করাও এর অন্তর্ভুক্ত। ছাড়াও তিনি ইবনু আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর বক্তব্যও উদ্ধৃত করেছেন, যে—এ আয়াত সাফিইয়া বিনতে হুয়াই (রাদিয়াল্লাহু আনহা)-কে বিবাহ করার কারণে নবী ﷺ-এর প্রতি আপত্তি উত্থাপনকারীদের প্রসঙ্গে অবতীর্ণ হয়েছিল।
    রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে গালি দেওয়া, তাঁকে বিদ্রূপ করা কিংবা তাঁর নবুওয়াত ও রিসালাতকে অবমাননা করা সাধারণ পাপের মতো নয়; বরং এটি কুফর আকবর। আল্লাহ তাআলা বলেন, “বলুন, তোমরা কি আল্লাহ, তাঁর আয়াতসমূহ এবং তাঁর রাসুলকে নিয়ে বিদ্রূপ করছিলে? অজুহাত দেখিয়ো না। তোমরা ইমান আনার পর কুফরি করেছ।” [সুরা আত-তাওবা, ৯ : ৬৫–৬৬]
    জাবির ইবনু আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “কাব ইবনুল আশরাফের ব্যাপারে কে ব্যবস্থা নেবে? কেননা, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে কষ্ট দিয়েছে।” [সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম]
    ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর আস-সারিমুল মাসলুল ‘আলা শাতিমির রাসুল গ্রন্থে এই হাদিস এবং এই ধরনের আরও একাধিক হাদিস এবং সালাফদের বক্তব্যকে রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে অবমাননাকারীর শাস্তি-সংক্রান্ত আলোচনায় দলিল হিসেবে পেশ করেছেন। ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ বলেন, রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে গালি দেওয়ার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হওয়া সম্পর্কে ইবনুল মুনযির (রাহিমাহুল্লাহ) উম্মতের সকল আলেমদের ঐকমত্যের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি ইমাম মালিক, ইমাম লাইস, ইমাম আহমাদ, ইমাম ইসহাক ও ইমাম শাফিয়ির বক্তব্যও এর সমর্থনে উদ্ধৃত করেছেন।
    আল্লাহ তাআলা এই অপরাধীদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে লানত এবং লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তির ঘোষণা দিয়েছেন। আর লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি বলতে এমন শাস্তিকে বোঝানো হয়েছে, যার মাধ্যমে অপরাধী অপমানিত ও লাঞ্ছিত হবে। এমনকি ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ তাঁর গ্রন্থে এই অপরধীদের (ব্যক্তিগতভাবে কেউ) হত্যা করার পর, হত্যাকারীর ওপর কোনো শাস্তি, কিসাস বা দিয়াত আবশ্যক না হওয়ার বিধানও আলোচনা করেছেন।
    ----
    তাফসির ও সংশ্লিষ্ট সূত্র :
    1. তাইসিরুল কারিমির রহমান ফি তাফসিরি কালামিল মান্নান
    2. আল-জামি‘ লি আহকামিল কুরআন
    3. আস-সারিমুল মাসলুল ‘আলা শাতিমির রাসুল
    4. তাফসির ইবনু কাসির
    “নিশ্চয়ই যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ তাদের প্রতি দুনিয়া ও আখিরাতে অভিশাপ দিয়েছেন এবং তাদের জন্য প্রস্তুত রেখেছেন লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি।” [সুরা আল-আহযাব, ৩৩ : ৫৭] . এই আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাঁর ও তাঁর রাসুল ﷺ-এর প্রতি কষ্টদায়ক আচরণের ভয়াবহতা এবং এর পরিণতি বর্ণনা করেছেন। ইমাম আবদুর রহমান আস-সাদি (রাহিমাহুল্লাহ) এই আয়াতের তাফসিরে বলেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসুল ﷺ-কে কষ্ট দেওয়ার মধ্যে—কথা ও কাজের মাধ্যমে কষ্ট দেওয়া, গালি দেওয়া, তাঁদের মর্যাদা খাটো করা এবং দ্বীনকে হেয় করা অন্তর্ভুক্ত। ইমাম ইবনু কাসির (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে দোষারোপ করা, তাঁর মর্যাদা খাটো করা কিংবা যেকোনোভাবে তাঁকে কষ্ট দেওয়া এই আয়াতের অন্তর্ভুক্ত। আয়াতটির বক্তব্য ব্যাপক; এটি কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ইমাম আল-কুরতুবি (রাহিমাহুল্লাহ) এই আয়াতের তাফসিরে যা উল্লেখ এর সারমর্ম হচ্ছে, রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে কষ্ট দেওয়া শুধু শারীরিক নির্যাতনে সীমাবদ্ধ নয়; বরং তাঁকে অবমাননাকর কথা বলা, তাঁর প্রতি মিথ্যা অপবাদ দেওয়া এবং তাঁর মর্যাদার পরিপন্থী আচরণ করাও এর অন্তর্ভুক্ত। ছাড়াও তিনি ইবনু আব্বাস (রাদিয়াল্লাহু আনহুমা)-এর বক্তব্যও উদ্ধৃত করেছেন, যে—এ আয়াত সাফিইয়া বিনতে হুয়াই (রাদিয়াল্লাহু আনহা)-কে বিবাহ করার কারণে নবী ﷺ-এর প্রতি আপত্তি উত্থাপনকারীদের প্রসঙ্গে অবতীর্ণ হয়েছিল। রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে গালি দেওয়া, তাঁকে বিদ্রূপ করা কিংবা তাঁর নবুওয়াত ও রিসালাতকে অবমাননা করা সাধারণ পাপের মতো নয়; বরং এটি কুফর আকবর। আল্লাহ তাআলা বলেন, “বলুন, তোমরা কি আল্লাহ, তাঁর আয়াতসমূহ এবং তাঁর রাসুলকে নিয়ে বিদ্রূপ করছিলে? অজুহাত দেখিয়ো না। তোমরা ইমান আনার পর কুফরি করেছ।” [সুরা আত-তাওবা, ৯ : ৬৫–৬৬] জাবির ইবনু আবদুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “কাব ইবনুল আশরাফের ব্যাপারে কে ব্যবস্থা নেবে? কেননা, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে কষ্ট দিয়েছে।” [সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম] ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) তাঁর আস-সারিমুল মাসলুল ‘আলা শাতিমির রাসুল গ্রন্থে এই হাদিস এবং এই ধরনের আরও একাধিক হাদিস এবং সালাফদের বক্তব্যকে রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে অবমাননাকারীর শাস্তি-সংক্রান্ত আলোচনায় দলিল হিসেবে পেশ করেছেন। ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ বলেন, রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে গালি দেওয়ার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হওয়া সম্পর্কে ইবনুল মুনযির (রাহিমাহুল্লাহ) উম্মতের সকল আলেমদের ঐকমত্যের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি ইমাম মালিক, ইমাম লাইস, ইমাম আহমাদ, ইমাম ইসহাক ও ইমাম শাফিয়ির বক্তব্যও এর সমর্থনে উদ্ধৃত করেছেন। আল্লাহ তাআলা এই অপরাধীদের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতে লানত এবং লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তির ঘোষণা দিয়েছেন। আর লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি বলতে এমন শাস্তিকে বোঝানো হয়েছে, যার মাধ্যমে অপরাধী অপমানিত ও লাঞ্ছিত হবে। এমনকি ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ তাঁর গ্রন্থে এই অপরধীদের (ব্যক্তিগতভাবে কেউ) হত্যা করার পর, হত্যাকারীর ওপর কোনো শাস্তি, কিসাস বা দিয়াত আবশ্যক না হওয়ার বিধানও আলোচনা করেছেন। ---- তাফসির ও সংশ্লিষ্ট সূত্র : 1. তাইসিরুল কারিমির রহমান ফি তাফসিরি কালামিল মান্নান 2. আল-জামি‘ লি আহকামিল কুরআন 3. আস-সারিমুল মাসলুল ‘আলা শাতিমির রাসুল 4. তাফসির ইবনু কাসির
    0 Comments 0 Shares 40 Views 0 Reviews
  • ■ শিরকের ভয়াবহতা আল্লাহ শিরক ক্ষমা করবেন না। মূল্যহীন সৃষ্টিকে আল্লাহর পাশাপাশি মর্যাদা দেয়া হয়। এটা যুলমের চূড়ান্ত পর্যায়। আল্লাহ বলেন, “নিশ্চয়ই শিরক মহাযুলম।” [সুরা লুকমান, ৩১ : ১৩] শিরক সৃষ্টির উদ্দেশ্যবিরোধী। সৃষ্টির উদ্দেশ্যই এক আল্লাহর ইবাদত করা। উম্মাহর মাঝে শিরকের ব্যাপকতা লাভ করা মানেই উম্মাহ ধ্বংসপ্রাপ্ত। কীভাবে? যেদিন দুনিয়াতে 'আল্লাহ, আল্লাহ' বলা লোক থাকবে না, সেদিন কিয়ামত আসবে। তাওহিদ নেই, তো এ পৃথিবী বাকি থাকার কোনো কারণও আর নেই। শিরক আল্লাহর প্রতি কুধারণা। এর মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর অবমাননা করছে। ____ শাইখ আহমাদ মুসা জিবরিল বই— আকিদাহ তহাবিয়াহ অর্ডার করুন : https://ilmweb.net/আকিদাহ-তহাবিয়াহ/
    0 Comments 0 Shares 61 Views 0 Reviews
  • ❝ইবরাহিম বলেছিল—ও আমার রব, এই নগরীকে শান্তিপূর্ণ করে দাও এবং আমাকে ও আমার সন্তানদের মূর্তিপূজা থেকে দূরে রাখো।❞
    [ সুরা ইবরাহিম, ৩৪ : ৩৫ ]
    ❝ইবরাহিম বলেছিল—ও আমার রব, এই নগরীকে শান্তিপূর্ণ করে দাও এবং আমাকে ও আমার সন্তানদের মূর্তিপূজা থেকে দূরে রাখো।❞ [ সুরা ইবরাহিম, ৩৪ : ৩৫ ]
    0 Comments 0 Shares 65 Views 0 Reviews
  • চোখ হিফাযাত করুন
    — শাইখ ড. উসমান আল-খামিস || ilmweb Publishing
    চোখ হিফাযাত করুন — শাইখ ড. উসমান আল-খামিস || ilmweb Publishing
    0 Comments 0 Shares 77 Views 0 Reviews
  • উন্মুক্ত হালাকাহ
    মুদাররিস : উসতায শাইখুল ইসলাম (হাফিযাহুল্লাহ)
    তারিখ : ১৬ অক্টোবর, শুক্রবার
    সময় : বিকেল ৪.০০ টা
    স্থান : ৮৩১, সর্দারবাড়ি, শহিদ লতিফ সড়ক, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০
    বোনদের জন্য থাকবে অংশগ্রহণের আলাদা ব্যবস্থা (অবশ্যই মাহরামের সাথে আসতে হবে)।
    .
    যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন : ০১৫৫০৭০৮৬৯০ (হোয়াটসঅ্যাপ)
    .
    [ নোট : ইলমওয়েব স্কুলিং -এ আসরের সালাতের জামাত বেলা ৩.৪৫ থেকে শুরু হয়। তাই অনুরোধ থাকবে আপনারা সময়ের ব্যাপারটা মাথায় রেখে রওনা হবেন। ]
    উন্মুক্ত হালাকাহ মুদাররিস : উসতায শাইখুল ইসলাম (হাফিযাহুল্লাহ) তারিখ : ১৬ অক্টোবর, শুক্রবার সময় : বিকেল ৪.০০ টা স্থান : ৮৩১, সর্দারবাড়ি, শহিদ লতিফ সড়ক, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০ বোনদের জন্য থাকবে অংশগ্রহণের আলাদা ব্যবস্থা (অবশ্যই মাহরামের সাথে আসতে হবে)। . যেকোনো প্রয়োজনে যোগাযোগ করুন : ০১৫৫০৭০৮৬৯০ (হোয়াটসঅ্যাপ) . [ নোট : ইলমওয়েব স্কুলিং -এ আসরের সালাতের জামাত বেলা ৩.৪৫ থেকে শুরু হয়। তাই অনুরোধ থাকবে আপনারা সময়ের ব্যাপারটা মাথায় রেখে রওনা হবেন। ]
    0 Comments 0 Shares 104 Views 0 Reviews
More Stories
Nuairah https://www.nuairah.com