আপনি কি জানেন জান্নাতের অধিবাসীদের জন্য কি কি পুরষ্কার অপেক্ষা করছে? আপনি হয়তো নির্মল পানির নহর, দুধের ঝর্ণাধারা, সারিবদ্ধ পালঙ্ক, মর্মর পাথরে সুশোভিত গোলাকার তাবু এবং আয়তলোচনা হুরদের কথা শুনেছেন। আপনি কিন্তু আপনি কি জানেন জান্নাতীদের সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে মূল্যবান পুরষ্কার কোনটি? আপনি কি জানেন কোন সে পুরষ্কার যার সামনে আসমান ও যমীনের মধ্যবর্তী সবকিছু তো বটেই, এমনকি জান্নাতের অবিশ্বাস্য সব সৌন্দর্যকেও তুচ্ছ মনে হবে?
.
আল্লাহ ‘আযযা ওয়া জাল বলেন -
.
“সেদিন অনেক মুখমন্ডল উজ্জল হবে। তারা তাদের পালনকর্তার দিকে তাকিয়ে থাকবে।” (সূরা কিয়ামাহঃ ২২-২৩)
.
.
এ মহাপুরষ্কার লাভের জন্য শত সহস্র দুনিয়া কি সানন্দে বিক্রি করে দেওয়া যায় না?

#KnowYourDeen


----

সুহায়ব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বর্ণনা করেন, নবী ﷺ বলেছেন,
«إِذَا دَخَلَ أَهْلُ الْجَنَّةِ الْجَنَّةَ، قَالَ: يَقُولُ اللهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى: تُرِيدُونَ شَيْئًا أَزِيدُكُمْ؟ فَيَقُولُونَ: أَلَمْ تُبَيِّضْ وُجُوهَنَا؟ أَلَمْ تُدْخِلْنَا الْجَنَّةَ، وَتُنَجِّنَا مِنَ النَّارِ؟ قَالَ: فَيَكْشِفُ الْحِجَابَ، فَمَا أُعْطُوا شَيْئًا أَحَبَّ إِلَيْهِمْ مِنَ النَّظَرِ إِلَى رَبِّهِمْ عَزَّ وَجَلَّ».

“জান্নাতিগণ যখন জান্নাতে প্রবেশ করবেন তখন আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে বলবেন, তোমরা কী চাও? আমি আরো অনুগ্রহ বাড়িয়ে দিই। তারা বলবে, আপনি কি আমাদের চেহারা আলোকোজ্জ্বল করে দেন নি, আমাদের জান্নাতে দাখিল করেন নি এবং জাহান্নাম থেকে নাজাত দেন নি?রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, এরপর আল্লাহ তা‘আলা আবরণ তুলে নিবেন। আল্লাহর দীদার অপেক্ষা অতি প্রিয় কোনো বস্তুতাদের দেওয়া হয় নি।” মুসলিম, হাদীস নং ১৮১
.
.
আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত,

«أَنَّ نَاسًا فِي زَمَنِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالُوا: يَا رَسُولَ اللهِ، هَلْ نَرَى رَبَّنَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ؟ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «نَعَمْ» قَالَ: «هَلْ تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَةِ الشَّمْسِ بِالظَّهِيرَةِ صَحْوًا لَيْسَ مَعَهَا سَحَابٌ؟ وَهَلْ تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَةِ الْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ صَحْوًا لَيْسَ فِيهَا سَحَابٌ؟» قَالُوا: لَا يَا رَسُولَ اللهِ، قَالَ: " مَا تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَةِ اللهِ تَبَارَكَ وَتَعَالَى يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِلَّا كَمَا تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَةِ أَحَدِهِمَا».

“রাসূলুল্লাহর ﷺ সময় লোকেরা জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রাসূল! কিয়ামতের দিন আমরা কি আমাদের রবকে দেখতে পাবো? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ। তিনি আরো বললেন, ঠিক দুপুরে মেঘমুক্ত আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ দেখতে কি তোমাদের কোনো অসুবিধা কিংবা কষ্ট হয়? তারা বললো, না, হে আল্লার রাসূল! তিনি বললেন, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা‘আলাকে দেখতে তোমাদের ততটুকু কষ্ট হবে, যতটুকু ঐ দু’টির যে কোনো একটি দেখতে কষ্ট হয়। মুসলিম, হাদীস নং ১৮৩”




https://www.youtube.com/watch?v=xqTp-eLaSu0
আপনি কি জানেন জান্নাতের অধিবাসীদের জন্য কি কি পুরষ্কার অপেক্ষা করছে? আপনি হয়তো নির্মল পানির নহর, দুধের ঝর্ণাধারা, সারিবদ্ধ পালঙ্ক, মর্মর পাথরে সুশোভিত গোলাকার তাবু এবং আয়তলোচনা হুরদের কথা শুনেছেন। আপনি কিন্তু আপনি কি জানেন জান্নাতীদের সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে মূল্যবান পুরষ্কার কোনটি? আপনি কি জানেন কোন সে পুরষ্কার যার সামনে আসমান ও যমীনের মধ্যবর্তী সবকিছু তো বটেই, এমনকি জান্নাতের অবিশ্বাস্য সব সৌন্দর্যকেও তুচ্ছ মনে হবে? . আল্লাহ ‘আযযা ওয়া জাল বলেন - . “সেদিন অনেক মুখমন্ডল উজ্জল হবে। তারা তাদের পালনকর্তার দিকে তাকিয়ে থাকবে।” (সূরা কিয়ামাহঃ ২২-২৩) . . এ মহাপুরষ্কার লাভের জন্য শত সহস্র দুনিয়া কি সানন্দে বিক্রি করে দেওয়া যায় না? #KnowYourDeen ---- সুহায়ব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বর্ণনা করেন, নবী ﷺ বলেছেন, «إِذَا دَخَلَ أَهْلُ الْجَنَّةِ الْجَنَّةَ، قَالَ: يَقُولُ اللهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى: تُرِيدُونَ شَيْئًا أَزِيدُكُمْ؟ فَيَقُولُونَ: أَلَمْ تُبَيِّضْ وُجُوهَنَا؟ أَلَمْ تُدْخِلْنَا الْجَنَّةَ، وَتُنَجِّنَا مِنَ النَّارِ؟ قَالَ: فَيَكْشِفُ الْحِجَابَ، فَمَا أُعْطُوا شَيْئًا أَحَبَّ إِلَيْهِمْ مِنَ النَّظَرِ إِلَى رَبِّهِمْ عَزَّ وَجَلَّ». “জান্নাতিগণ যখন জান্নাতে প্রবেশ করবেন তখন আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে বলবেন, তোমরা কী চাও? আমি আরো অনুগ্রহ বাড়িয়ে দিই। তারা বলবে, আপনি কি আমাদের চেহারা আলোকোজ্জ্বল করে দেন নি, আমাদের জান্নাতে দাখিল করেন নি এবং জাহান্নাম থেকে নাজাত দেন নি?রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, এরপর আল্লাহ তা‘আলা আবরণ তুলে নিবেন। আল্লাহর দীদার অপেক্ষা অতি প্রিয় কোনো বস্তুতাদের দেওয়া হয় নি।” মুসলিম, হাদীস নং ১৮১ . . আবু সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, «أَنَّ نَاسًا فِي زَمَنِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالُوا: يَا رَسُولَ اللهِ، هَلْ نَرَى رَبَّنَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ؟ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «نَعَمْ» قَالَ: «هَلْ تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَةِ الشَّمْسِ بِالظَّهِيرَةِ صَحْوًا لَيْسَ مَعَهَا سَحَابٌ؟ وَهَلْ تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَةِ الْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ صَحْوًا لَيْسَ فِيهَا سَحَابٌ؟» قَالُوا: لَا يَا رَسُولَ اللهِ، قَالَ: " مَا تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَةِ اللهِ تَبَارَكَ وَتَعَالَى يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِلَّا كَمَا تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَةِ أَحَدِهِمَا». “রাসূলুল্লাহর ﷺ সময় লোকেরা জিজ্ঞেস করলো, হে আল্লাহর রাসূল! কিয়ামতের দিন আমরা কি আমাদের রবকে দেখতে পাবো? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ। তিনি আরো বললেন, ঠিক দুপুরে মেঘমুক্ত আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ দেখতে কি তোমাদের কোনো অসুবিধা কিংবা কষ্ট হয়? তারা বললো, না, হে আল্লার রাসূল! তিনি বললেন, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা‘আলাকে দেখতে তোমাদের ততটুকু কষ্ট হবে, যতটুকু ঐ দু’টির যে কোনো একটি দেখতে কষ্ট হয়। মুসলিম, হাদীস নং ১৮৩” https://www.youtube.com/watch?v=xqTp-eLaSu0
0 Commentaires 0 Parts 324 Vue
Nuairah https://www.nuairah.com